কাউখালীতে মা দিবসে ১৫ মাকে সংবর্ধনা

কাউখালীতে মায়েদের সংবর্ধনাকাউখালী (পিরোজপুর) : বিশ্ব ‘মা’ দিবস উপলক্ষ্যে কাউখালী প্রতিবন্ধী স্কুলের উদ্যোগে রোববার (১০ মে) সকাল ১০টায় স্কুল চত্বরে পনেরো জন মাকে সংবর্ধনা দিয়েছেন কাউখালীর বিশিষ্ট সমাজসেবক আঃ লতিফ খসরু। সংবর্ধিত মায়েরা সুবিধা বঞ্চিত ও হতদরিদ্র। এদের মধ্যে তিন মা হয়েছে শতবর্ষী।সংবর্ধিত মায়েরা হলেন হলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বামী সন্তান হারা আমরাজুড়ী ইউনিয়নের গন্ধর্ব্য গ্রামের রাজেন্দ্র নাথ রায়ের কন্যা বীর মুক্তিযোদ্ধা উর্মিলা রানী রায় (৯০)। উপজেলার কেউন্দিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের মা আমজেদুন নেছা (৮০), একই গ্রামের মৃত আউয়ালের স্ত্রী সাফিয়া বেগম (১০০) কেউন্দিয়া গ্রামের   শুক্কুর খানের স্ত্রী ফাতিমা বেগম (১০০)  আমরাজুড়ী আবাসন প্রকল্পে বসবাসকারী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী জাহিদের মা রেক্সেনা বেগম (৭০) চার বাক প্রতিবন্ধী সন্তানের মা মঞ্জিলা বেগম (৬০)  দুই বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তানজিলা ও আসমার মা সাহেরা বেগম (৭০) আমরাজুড়ী আবাসনে বসবাসকারী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শান্তার মা আমেনা বেগম (৫০) উপজেলার বাশুরী গ্রামের মৃতঃ দেরাগ আলী ফকিরের স্ত্রী শতবর্ষী মকিমন নেছা।

উপজেলার দাশেরকাঠী গ্রামের মানিক সরদারের হতদরিদ্র স্ত্রী হালিমা বেগম (৭০), গন্ধর্ব্য গ্রামের মৃত নিবারণ চন্দ্র রায়ের হতদরিদ্র স্ত্রী বকুল বালা রায় (৭৫), কাউখালী সদরের মৃতঃ উমেশ সাধকের হতদরিদ্র স্ত্রী সুষমা সাধক, শহরের মৃতঃ মোদাচ্ছের আলীর স্ত্রী আমিরুন নেছা (৭৫) চিরাপাড়া গ্রামের মৃতঃ মনছুর আলী শেখ এর স্ত্রী শ্রমজীবী রহিমা বেগম (৬৫), রবিন দাসের স্ত্রী মঞ্জুরানী দাস (৬০), আউয়ালের স্ত্রী সাফিয়া বেগম (৮০), আঃ খালেকের স্ত্রী কুলসুম (৭০)। সংবর্ধিত মায়েদেরকে মালা পরিয়ে সংবর্ধিত করা হয়, এবং মিষ্টি, দধি, ফল দিয়ে তাদেরকে আপ্যায়ন করা হয়। উপহার হিসেবে প্রত্যেকটি মাকে এক একটি শাড়ি দেওয়া হয়।
প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সমাজ সেবক আঃ খসরুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আমরাজুরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কৃষ্ণ লাল গুহ, কাউখালী মহিলা পরিষদ সভানেত্রী জাহানুর বেগম, কাউখালী উত্তর বাজার যুব কল্যাণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাকিব উদ্দীন পাবেল, ইউপি সদস্য নেপাল চন্দ্র দে, ক্ষুদে সন্তান তাহমিদ প্রমূখ।

//রবিউল হাসান রবিন/ উপকূল বাংলাদেশ/কাউখালী-পিরোজপুর/১০০৫২০১৫//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য