ঝালকাঠির গ্রামাঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে করমচা

ঝালকাঠির গ্রামে এই করমচা এখন আর তেমন দেখা যায় নাঝালকাঠি : ঝালকাঠি জেলার ২৮৫ টি গ্রামে এক সময়ে করমচার প্রচুর ফলন হত। কিন্তু বন-জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করা এবং জমি কেটে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করার ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে ভেষজ গুণে ভরপুর করমচা। তবে শৌখিনভাবে গুটি কয়েকজনে টবে করে চাষ করছেন করমচার।

সদর হাসপাতালের ইউনানী চিকিৎসক ডাঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, করমচায় প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ বিদ্যমান। তাই মুখের রুচি বাড়ায় এবং দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায় এ ফল খুবই উপকারী। হৃৎপিন্ডকে ভালো রেখে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে করমচার জুড়ি নেই। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ কমাতেও সাহায্য করে। যকৃৎ ও কিডনির রোগ প্রতিরোধে আছে বিশেষ ভূমিকা। মৌসুমি সর্দি-জ্বর ও কাশিতে করমচা খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। এটি কখনও কৃমি নাশক ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।

এছাড়া পেটের নানা অসুখের দাওয়াই এ ফল। দেহের ক্লান্তি দূর করে করমচা শরীরকে চাঙা রাখে। বাত রোগ কিংবা ব্যথাজনিত জ্বর নিরাময়ে এ ফল খুবই উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন ‘এ’ চোখের জন্য উপকারী। করমচা ত্বক ভালো রাখে। এতে চর্বি এবং ক্ষতিকর কোলেস্টরল থাকে না। তাই জনস্বার্থে করমচা চাষের জন্য বন বিভাগকে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান ঝালকাঠি সচেতন মহল।

//মো. আতিকুর রহমান/উপকূল বাংলাদেশ/ঝালকাঠি/০৫০৪২০১৫//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য