১৫তম কমিউনিটি রেডিও ‘মেঘনা’ আসছে আজ

রেডিও মেঘনাভোলা : ভোলার চরফ্যাসনে ‘উপকূলের কষ্ঠস্বর’ শ্লোগান নিয়ে আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে কমিউনিটি রেডিও মেঘনা। সকালে অনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করবেন তথমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

এর উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে দেশের ১৫তম ও দ্বীপজেলা ভোলায় প্রথম বারের মত রেডিও স্টেশন চালু হবে। বে সরকারী উন্নয়ন সংস্থা কোস্টট্রাস্ট এর তত্বাবধানে এর কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত থাকবেন, পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ে উপ-মন্ত্রী ভোলা-৪ আসনের সাংসদ আব্দুল্লাহ আল-ইসলাম জ্যাকব, তথ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব মরতুজা আহমেদ, পল্লি কর্ম ফাইন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আ: করিম, বাংলাদেশ বেতারের মহা-পরিচালক কাজী আখতার উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সংসদ সদস্য ড, আতরাম উদ্দিন চৌধূরীমহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও উন্নয়ন সংস্থার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন কোস্টট্রাস্ট নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধূরী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গোপসাগরে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা ও বিচ্ছিন্ন দ্বীপবাসীর সুরক্ষায় তথ্য প্রযুক্তি শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখবেন তথ্য মন্ত্রী। চরফ্যাশন ব্রজমোহন টাউন হলে এসব অনুষ্ঠান হবে।
‘উপকূলের কণ্ঠস্বর’ শ্লোগান নিয়ে দেশের মধ্য উপকূল তথা দ্বীপ জেলা ভোলা অঞ্চলের মানুষের পাশে থাকবে এ রেডিও। এরইমধ্যে স্টেশন স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। উদ্বোধনের পর থেকেই স্টেশন থেকে চারিদিকে ১৭ কিলোমিটারের মধ্যে শ্রোতারা এফএম ৯৮ দশমিক ৪ মিটার ব্যান্ডে রেডিও মেঘনার অনুষ্ঠান শুনতে পাবেন।

দেশের উপকূল অঞ্চলে আরও বেশ কয়েকটি কমিউনিটি রেডিও থাকলেও ভোলাসহ মধ্য উপকূলের দ্বীপাঞ্চলে এটি প্রথম কমিউনিটি রেডিও। এই স্টেশন স্থাপনের ফলে বিচ্ছিন্ন এলাকার বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে। দুরযোগকালে সঠিক তথ্য পেয়ে নিজেদেরকে নিরাপদে রাখতে পারবে। নিয়মিত উন্নয়ন তথ্য পেয়ে বদলাতে পারবে নিজেদের অবস্থা। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, দুরযোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ, উন্নয়নসহ নানান বিষয়ে অনুষ্ঠান প্রচার করে রেডিও মেঘনা মানুষদের সচেতন করার উদ্যোগ নেবে।

এর আগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রথম পর্যায়ে ১৪ কমিউনিটি রেডিও স্থাপিত হয়েছে। সে হিসাবে রেডিও মেঘনা ১৫তম কমিউনিটি রেডিও স্টেশন হিসাবে আত্মপ্রকাশ করছে।

প্রসঙ্গত, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এরইমধ্যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে দেশের কমিউনিটি রেডিওগুলো। রেডিও স্টেশনগুলোর স্টুডিওতে এসে নিজেরাই বলছেন নিজেদের কথা। কমিউনিটি রেডিওগুলো স্থানীয় নাগরিকদেরই কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছে। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার দাবি উঠেছে কমিউনিটি টেলিভিশনের।

//ছোটন সাহা/ উপকূল বাংলাদেশ/ভোলা/১৭০২২০১৫//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য