ভোলায় ডিজিটাল মেলা, আনন্দ-উচ্ছাসে ২য় দিন

ডিজিটাল মেলার দ্বিতীয় দিনে সঙ্গীতানুষ্ঠানভোলা : শীতের রাতের হিমেল বাতাস, মেলা ভর্তি দর্শক, প্রিয় শিল্পীদের গান শোনার আগ্রহ তাদের। শুরু হলো গান, মেতে উঠলো দর্শক। এ যেন এক সংগীতের সুরে হারিয়ে যাওয়া। পুরনো দিনের সেই জনপ্রিয় গানে শুনে আবারো নতুন করে যেন মুদ্ধ হয়ে উঠলেন দর্শক-শ্রেতারা।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ চিত্র দেখা গেছে ভোলার ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার ২য় দিনে।

বিতর্ক প্রতিযোগীতা, নাচ আর সংগীতের সুরের মূর্ছনায় মাতিয়ে তুললেন শিল্পীরা। রাতের ভোলায় দর্শক-শ্রেতারা মেতে উঠেছিলো আনন্দ-উচ্ছাসে। নতুন প্রজম্মকে আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞান দানের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে  ৩দিনের এ ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা চলছে।

মেলাকে আরো বেশী আকর্ষনীয় ও জমজমাট করে তুলতে ব্যাতিক্রম আয়োজন হিসাবে ছিলো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।

ডিজিটাল মেলার মনোমুগ্ধকর আয়োজনে দর্শকভোলার জেলা প্রশাসক মো: সেলিম রেজা মেলার ২য় দিনের শুভ সুচনা করেন। এরপর চলে বিতর্ক  ও কুইজ প্রতিযোগীতা। বিজয়ীদেরকে পুরস্কৃত করা হয়। এসব অনুষ্ঠান শেষে জনপ্রিয় সব সংগীত পরিবেশন করে দর্শক মাতিয়ে তোলের সুরের ধারার প্রশিক্ষক সংগীত শিল্পী তৃষা ভাওয়াল তিথী। জনপ্রিয় সব গানের সুরের মুর্ছনায় মুগ্ধ হন দর্শক-শ্রোতারা।

এরপরেই মঞ্চে আসেন ক্ষুদ্রে শিল্পী সোনিয়া। পরে বৃস্টি নাগ ও রেহানা ফেরদৌস গান গেয়ে মাতিয়ে তোলেন দর্শকদের। গানের ফাঁকে ফাঁকে চলে নৃত্য। এতে ছোট-বড় শিশুরা নাচ পরিবেশন করেন। রাত সাড়ে ১০টায় মেলার সমাপনি ঘটার কিছুক্ষন আগে সংগীত পরিবেশন করেন সুরের ধারার পরিচালক উত্তম কুমার ঘোষ।

ডিজিটাল মেলায় সঙ্গীত পরিবেশন করছেন শিল্পীএরআগে বিকাল থেকেই মেলা প্রঙ্গনে ছিলো দর্শনার্থীদের উপছে পড়া ভীড়। আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি নির্ভর সব উপকরন প্রজেক্টরের মাধ্যমে উম্মুক্ত প্রদর্শন করা হয়।

জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের অন্তত ১৬টি স্টল এ প্রদর্শন প্রক্রিয়া করেন। এছাড়াও ভোলা মেডিকেল সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি কলেজের উদ্যোগে বিনামূল্যে রক্ত গ্রুফ নির্নয় পরীক্ষা করে। সেখানে দর্শনার্থীদের ভীড় ছিলো।

ডিজিটাল মেলার দ্বিতীয় দিনে সঙ্গীত পরিবেশন করছেন এক শিল্পীঅনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেন ভোলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট নজরুল হক অনু। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়াও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্র্টেসহ সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাগন। ছিলো হাজারো মানুষের ঢল।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) পুরস্কার বিতরন ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে মেলায় সমাপ্তি ঘটবে।

//ছোটন সাহা/উপকূল বাংলাদেশ/ভোলা/১১০২২০১৫//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য