দুয়ারে শীত, লেপ তৈরির ব্যস্ততা!
- ১৯:১৩
- উপকূল আজ, উপকূল সংবাদ, ঘটনাপ্রবাহ, ঝালকাঠি জেলা, মধ্য-উপকূল, শীর্ষ সংবাদ, সর্বশেষ
- ১১০৭
প্রতিবেদন উপকূল বাংলাদেশ, ঝালকাঠি || কার্তিকের সকালে শীতের আমেজ আসতে না আসতেই লেপতোষক তৈরির ধূম পরেছে। কিছু দিন পরেই জেকে বসবে শীত। এবার শীতের আমেজ আগেই টের পাওয়ায় জনসাধারন ভীড় জমাতে শুরু করেছে লেপ তোষকের দোকানে। তুলা, লেপের কাপড়, ফোম এবং মজুরী গত বছরের তুলনায় এবার অনেক বেশী বলে জানিয়েছে বিক্রেতারা।
প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে ঝালকাঠির তুলা পট্টিতে তুলা দিয়ে তৈরী লেপ বানানোর মজুরির পাশাপাশি বেড়েছে তুলা ও কাপড়ের দাম। এসব দোকানে দিন দিন বেড়েই চলছে লেপ ক্রেতাদের ভীড়। পাশাপাশি ব্যাস্ততা বাড়ছে লেপ তৈরী কারিগরদের। তুলা পট্টির প্রতিটি দোকানে এখন ১০/১৫টি লেপ তোষক তৈরী হচ্ছে। এদিকে শীত বস্ত্র বিক্রির দোকানেও ভীড় ও কেনাকাটা জমে উঠতে শুরু করেছে ।
একাধিক লেপ-তোষক দোকান মালিকরা জানান, বিগত বছরের তুলনায় এবার তুলার দাম বেশী। শিমুল তুলার কেজি গত বছর ছিল ৩০০ টাকা, এবার কেজি ৩৫০ টাকা। লেপের কাপুড় গত বছর গজ বিক্রি হত ৯০ টাকা, এবার ১২০ টাকা। এছাড়া ৪-৫ হাত মাপের তৈরী লেপ ১ টি গত বছর বিক্রি হয়েছে ১৩০০ টাকা এবার ১৭০০ টাকা। একই মাপের তোষক গত বছর ছিলো ১৮০০টাকা, এবার ২২০০ টাকা। এছাড়া নিম্নমানের বিভিন্ন তুলা কেজি প্রতি গড়ে ১০/১৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া গত বছরের তুলনায় লেপ তৈরীর মজুরীও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে কারিগররা।
অপর দিকে ৬ সেপ্টেম্বর রাতে তুলা পট্টিতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। দু’ দোকান মালিক বীমা করে এবং ব্যাংকের ঋণ নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ করেন। তুলাপট্টির অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ জন ব্যবসায়ী স্মাক্ষরিত স্মারকলিপি ১৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে জমা দেন। অভিযোগটি সদর থানার ওসিকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয় পুলিশ সুপার।
ব্যবসায়ীরা জানান, অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল তাদের বীমা ও ঋণের টাকার চেয়ে ক্ষতির পরিমাণ বেশি বিধায় অভিযোগটি ভিত্তিহীন হয়েছে। নিজেদের মধ্যে ভুলবুঝাবুঝির জন্য এমন অভিযোগ দেয়া হয়েছিল। অভিযোগে স্বাক্ষরকারীরা অনেকেই না বুঝে স্বাক্ষর দিয়েছিল। পরে নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে মিমাংসা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তা ঝালকাঠি থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই হালিম তালুকদার জানান, তদন্তের এক পর্যায় গেলে ব্যবসায়ীরা নিজেরা মিমাংসা করে নেয়।
//মো. আতিকুর রহমান/উপকূল বাংলাদেশ/ঝালকাঠি/২৫১০২০১৪//
