পিরোজপুরে ভাসমান সবজি চাষ দেশজুড়ে পরিচিত

---ডেস্ক উপকূল বাংলাদেশ ● সারাদেশে একনামে পরিচিতি পেয়েছে পিরোজপুরের বিল অঞ্চলে ভাসমান চাষ পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন ও সবজি চাষ। পিরোজপুর জেলায় সম্পূর্ণ স্থানীয় প্রযুক্তিতে বিল অঞ্চলের পতিত জমির পানিতে ভাসমান পদ্ধতিতে বিভিন্ন শাক-সবজির চারা উৎপাদন ও চাষাবাদে ব্যাপক সফলতা পেয়েছে ওই এলাকার কৃষকরা। এই পদ্ধতি আকৃষ্ট করেছে পার্শ্ববর্তী উপজেলা ও জেলাগুলোর কৃষকদেরও। বাংলামেইল২৪ডটকম এ খবর দিয়েছে।

ভাসমান সবজি চাষ এলাকা : পিরোজপুরে ভাসমান সবজি চাষ জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলার উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে ১নং বলদিয়া ইউনিয়নের বিল অঞ্চল খ্যাত চামী ও গগন এলাকা। নাজিরপুর উপজেলার কলারদোয়ানিয়া ও দেউলবাড়ী দোবরা ইউনিয়নের ১৩ থেকে ১৫টি গ্রামে নিম্নাঞ্চলের গ্রামগুলোতে যেখানে বৈশাখ থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত থৈ-থৈ করে পানিতে। ফলে এ সময় কৃষিকাজ না থাকায় আগে অলস সময় কাটাতে হতো ওই এলাকার কৃষির উপর নির্ভরশীল কৃষকদের। বর্তমানে নাজিরপুরে প্রায় ১০ হাজার ও স্বরূপকাঠিতে দু’গ্রামে শতাধিক পরিবার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থেকে ভাসমান ধাপের উপর সবজি চারা উৎপাদনে।

কৃষকরা নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও স্বাবলম্বী করছে। সবজির চারা পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে জীবিকার ব্যবস্থা হয়েছে কয়েক হাজার মানুষের। আগের অনাবাদি জমি বর্তমানে খুবই মূল্যবান হয়ে উঠেছে ওই এলাকার লোকদের কাছে। জলাশয়ে কৃষির এই বিশেষ চাষ পদ্ধতির কারণে সারাদেশে পিরোজপুরের বিল অঞ্চলগুলো।

প্রায় ত্রিশ বছর আগে ভাসমান এই চাষ পদ্ধতির উদ্ভাবন করেন জেলার নাজিরপুর উপজেলা ও নেছারাবাদ (স্বরুপকাঠী) উপজেলার কৃষকরা। আস্তে আস্তে এই চাষাবাদ ছড়িয়ে পড়ে বরিশাল, গোপালগঞ্জ, খুলনা এবং যশোরসহ বিভিন্ন বিল এলাকায়।

এলাকাবাসী ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিল এলাকা হওয়ায় বছরের বেশিরভাগ সময় উল্লেখিত ইউনিয়নে জমি পানিতে তলিয়ে থাকে। ফলে ওই সব জমিতে কোনো ফসল চাষ করা সম্ভব হয় না। জমিগুলো কচুরিপানা, দুলালী বন, শেওলা ও ফ্যানা ঘাসসহ বিভিন্ন জলজ উদ্ভিদে ভরা থাকে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে কৃষকরা সম্মিলিত উদ্যোগে জমির পানিতে প্রকৃতিকভাবে জন্ম নেয়া উদ্ভিদকে স্তুপ করে বিশেষ এক পদ্ধতিতে পানির উপরেই ৭০ থেকে ৮০ ফুট লম্বা ও ৫ থেকে ৬ ফুট চওড়া এবং ২ থেকে আড়াই ফুট বীজতলা (স্থানীয়ভাবে ধাপ নামে পরিচিত) তৈরি করে তার উপর নারিকেলের ছোবড়ার গুড়া ও ক্ষুদ্রাকৃতির বিভিন্ন ধরণের জলজ উদ্ভিদ পচিয়ে বীজতলার উপর ছড়িয়ে দেয়। সেখানেই বীজ বপন করে উৎপাদন করা হয় বিভিন্ন প্রজাতির চারা, এমনকি স্বল্পজীবী বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি।

কৃষকরা বিশেষভাবে তৈরিকৃত ধাপের উপর প্রায় সব ধরনের শাক-সবজির চারা ও শাক-সবজি উৎপাদন করেন। নাজিরপুর ও নেছারাবাদ থেকে উৎপাদিত চারাই দক্ষিণাঞ্চলের অধিকাংশ চারার চাহিদা পূরণ করে। বর্তমানে ওই সব বিল অঞ্চলে শত শত হেক্টর জলাবদ্ধ জমিতে কয়েক হাজার কৃষক ও চারা ব্যবসায়ী চাষাবাদ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। আগে তারা চারা বিক্রি করে খুব একটা লাভবান না হলেও, বর্তমানে চারার দাম ভালো থাকায় কৃষকরা বেজায় খুশি।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, জেলার নাজিরপুর উপজেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার উত্তরে নিম্নাঞ্চল দেউলবাড়ী দোবড়া ও মালিখালী ইউনিয়নের মুগারঝোর, কলারদোয়ানিয়া, দীর্ঘা, বৈঠাকাঠা, খলনি, মেদা, সাঁচিয়া, পাকুরিয়া, গাওখালী, পদ্মডুবি, বিল ডুমুরিয়াসহ অনেক গ্রামের পতিত জমিতে ভাসমান পদ্ধতিতে শাক-সবজি ও এর চারা উৎপাদন এবং ক্রয়-বিক্রয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে কৃষকরা।

যেভাবে চাষ হয়: এ অঞ্চলের ধানি জমিতে বাংলা বছরের অগ্রহায়ণ থেকে বৈশাখ মাস পর্যন্ত বোরো ধানের চাষ হয়। এরপর আষাঢ় থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত সাত থেকে আট ফুট পানির নিচে নিমজ্জিত থাকে এসব জমি। তাই এ সময়টায় এখানকার মানুষ বেকার হয়ে পড়েন। যেদিকে চোখ যায় শুধু পানি আর পানি। দুই উপজেলার কয়েকটি গ্রাম বছরে প্রায় সাত থেকে আট মাস জলাবদ্ধ থাকে। আষাঢ় মাসে কচুরিপানা সংগ্রহ করে স্তূপ করা হয়। জলাভূমিতে প্রথমে কচুরিপানা এবং পর্যায়ক্রমে শ্যাওলা, কচুরিপানা ও দুলালী লতা স্তরে স্তরে সাজিয়ে দুই ফুট পুরু ধাপ বা ভাসমান বীজতলা তৈরি করা হয়। ধাপে জৈব উপকরণ দ্রুত পচাতে ব্যবহার করা হয় সামান্য পরিমাণ ইউরিয়া সার। একেকটি ভাসমান ধাপ ৫০ থেকে ৬০ মিটার দীর্ঘ ও দেড় মিটার প্রশস্ত হয়। সেসব ধাপ দ্রুত পচানোর জন্যও সামান্য পরিমাণ ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়। এ ধাপ চাষের উপযোগী করতে সাত থেকে ১০ দিন প্রক্রিয়াধীন রাখতে হয়।

ভাসমান বা ধাপ পদ্ধতিতে সরাসরি বীজ বপন সম্ভব না হওয়ায় কৃষকরা প্রতিটি বীজের জন্য এক ধরনের আধার তৈরি করেন। তারা এর নাম দিয়েছেন দৌলা। একমুঠো করে টেপাপনা (ছোট কচুরিপানা), দুলালী লতার মধ্যে নারিকেল ছোবড়ার গুঁড়া দিয়ে তৈরি করা হয় দৌলা। শুধু নারীরাই দৌলা তৈরির কাজ করেন। এ দৌলার মধ্যে বিভিন্ন সবজির অঙ্কুরিত বীজ পুঁতে মাচানে বা শুকনো জায়গায় রাখা হয়। এর আগে ভেজা জায়গায় বীজ অঙ্কুরিত করা হয়। দৌলাগুলো এভাবে তিন থেকে সাত দিন সারি করে রাখা হয়। ধাপে স্থানান্তরের পাঁচ থেকে ছয় দিন পর গজানো চারার পরিচর্যা শুরু হয়।এরপর পাঁচ থেকে ছয় দিন পরপর ভাসমান ধাপের নিচের কচুরিপানার মূল বা শ্যাওলা দৌলার গোড়ায় বিছিয়ে দেয়া হয়। এভাবেই বীজ থেকে লাউ, কুমড়া, পেঁপে, বেগুন, বাঁধাকপি, করলা, ঝিঙে, শিম, বরবটি, টমেটো ও শসার চারা উৎপাদন করা হয়। একটি অঙ্কুর বীজতলায় রোপণ করার ২০ থেকে ২২ দিনের মাথায় পূর্ণবয়স্ক চারায় রূপান্তরিত হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে কৃষক বা চারার পাইকারি ব্যবসায়ীরা কিনে নিয়ে যান এসব চারা। জৈব সারে উৎপাদিত এসব চারার উৎপাদন খরচ পড়ে এক থেকে দেড় টাকা। এক হাজার চারা দুই হাজার ৫শ টাকা থেকে তিন হাজার টাকায় বিক্রি হয়। শাক-সবজি বড় হলে চাষিরা ধাপ থেকে তুলে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেন। পুরনো ধাপ কিনে কৃষকরা এর উপর কুমড়া, শিম, পেঁপে, করলা, টমেটো, লাউ, লালশাক, পালংশাক, ডাঁটাশাক বা সাদাশাকের চাষ করে থাকেন।

ধাপের পুনর্ব্যবহার: ধাপের মেয়াদকাল সাধারণত তিন মাস। কিন্তু অঙ্কুর থেকে চারায় পরিণত হয় মাত্র ২০ থেকে ২২ দিনে। যে কারণে ধাপগুলো পুনরায় ব্যবহার করার জন্য সামান্য পরিবর্তন করতে হয়। তখন ৫০ মিটারের একটি ধাপের জন্য দুই হাজার থেকে দুই হাজার পাঁচশ টাকা খরচ হয়। পুনরায় ধাপ প্রস্তুত না করে প্রথমবার ব্যবহৃত ধাপ আবার অন্য কৃষকের কাছে বিক্রিও করে দেয়া যায়, যা এখানকার কৃষকরা প্রায় সময়ই করে থাকেন। প্রথমবার ব্যবহৃত ধাপ বিক্রি হয় দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকায়।

আয়-ব্যয়: প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মিটারের একটি সারি, দল বা ধাপ তৈরি করতে খরচ হয় প্রায় পাঁচ হাজার টাকা। এ ধরনের একটি ধাপ তৈরির জন্য একজন মানুষের ২শ ৫০ টাকা মজুরি হিসেবে ছয় দিন আট বা দশ ঘণ্টা পরিশ্রম করতে হয়। ধাপের জন্য এক হাজার টাকার কচুরিপানা, এক হাজার টাকার দুলালী লতা, এক হাজার টাকার টেপাপোনার দরকার হয়। এ জাতীয় চাষে একজন কৃষক শুধু একটি বেড় থেকে প্রথম ২০ থেকে ২২ দিনের মধ্যে আয় করেন দুই থেকে তিন হাজার টাকা। প্রতি ৫০ মিটার লম্বা ও এক মিটার চওড়া একটি ধাপে ছয় ইঞ্চি দূরত্ব করে একটি চারা রোপণ করলে একটি সারিতে মোট দুই হাজার ৪শ ৫০টি চারা রোপণ করা যায়। প্রতি চারা পাইকারি তিন টাকা বিক্রি করা হয়। তাই প্রতিটি সারির চারা বিক্রিতে প্রায় দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা লাভ থাকে।

কর্মসংস্থান: জেলার নাজিরপুর উপজেলা এবং স্বরুপকাঠী বলদিয়া ইউনিয়নের এলাকা একজন নারী শ্রমিক প্রতিদিন গড়ে ২শ টাকা আয় করেন।

সরকারি বৈঠাকাটা কলেজের ছাত্রী ছালমা বলেন, ‘কলেজের ক্লাস শেষে বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দৌলা তৈরি করি। এ সময় আমি এক হাজার থেকে এক হাজার ২শ দৌলা তৈরি করতে পারি। এ জন্য ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পাই, যা আমার পড়াশোনার কাজে ব্যয় করি।’ তার মতো অনেক শিক্ষার্থী স্কুল বা কলেজ শেষে এ ধরনের কাজ করেন।

আরেক শিক্ষার্থী আসলাম বলেন, ‘জমিতে কাজ করে প্রতিদিন গড়ে ২শ ৫০ থেকে ৩শ টাকা আয় করি।’

কৃষকদের কথা: ঝড় ও জলোচ্ছ্ব্বাস এ পদ্ধতির চাষাবাদে তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারে না। তবে ভাসমান পদ্ধতিতে চাষাবাদে যেমনি রয়েছে সুবিধা, তেমনি রয়েছে বেশ কিছু সমস্যা। প্রধান সমস্যা সরকারি বীজের দোকান না থাকা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাব। এছাড়া মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের অধিক মুনাফা তো রয়েছেই। পাশাপাশি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, প্রয়োজন অনুসারে বীজতলা তৈরির জন্য সার না পাওয়া এবং ঋণসুবিধা না থাকায় চাষিদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

নাজিরপুর উপজেলার মুগারঝোর গ্রামের কয়েকজন চাষি জানান, এক মৌসুমে চারা উৎপাদন ও বিক্রি করে একরে প্রায় ২২ হাজার টাকা লাভ থাকে। পানিবেষ্টিত এ অঞ্চলে ধাপ পদ্ধতির চাষে জড়িত চাষিদের সহজশর্তে ঋণ দিলে চাষাবাদের আরো বিস্ততি ঘটবে। মানুষের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে।

চাষিরা আরও জানান, কৃষকদের অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তারা বেশি লাভবান হবেন।

মুগারঝোর কৃষি উন্নয়ন সমিতির সভাপতি আক্তার হোসেন বলেন, ‘পণ্য পরিবহনের জন্য উন্নত ব্যবস্থা চালুসহ এলাকায় একটি হিমাগার স্থাপনের দাবি আমাদের দীর্ঘদিনের। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) একটি বীজ বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন একান্ত জরুরি। পাশাপাশি কচুরিপানা সংকটের কারণে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে। তাই এ এলাকায় কচুরিপানা চাষাবাদ করার কৌশল উদ্ভাবন প্রয়োজন। কৃষি বিভাগ থেকে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে সাধারণ চাষিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তবে তারা এখন পর্যন্ত সমাধানের পথ খুঁজে দেননি।’

পিরোজপুর জেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, ‘ইতিহাস ঘেঁটে যতদূর সম্ভব জানা গেছে, নাজিরপুরের কৃষকরাই প্রথম ভাসমান পদ্ধতিতে চাষাবাদ পদ্ধতির উদ্ভাবন করেছেন। তাও অন্তত দেড়শ বছর হবে। পর্যায়ক্রমে তা স্বরুপকাঠী, বানারীপাড়াসহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলায় এ পদ্ধতি ছড়িয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে ভাসমান পদ্ধতিতে চাষাবাদ প্রক্রিয়া বরিশাল বিভাগ থেকে যশোর, মানিকগঞ্জ, সিলেট ও সুনামগঞ্জে ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু দক্ষিণাঞ্চলে এ পদ্ধতির চাষাবাদ আরো হওয়া প্রয়োজন।’

তিনি সীমাবদ্ধের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘বীজ আর কচুরিপানাই চাষাবাদ পদ্ধতি বিস্তারে অন্তরায়। এই দুটি বিষয় সুরাহা হলে পদ্ধতির আরো প্রসার ঘটবে। উৎপাদনকারীরা জানিয়েছেন, এ কাজে সরকারি কোনো সহায়তা বা পরামর্শ নেই। থাকলে আরও ভালো হতো।’

//ডেস্ক উপকূল বাংলাদেশ/০৯০৯২০১৪//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য