কমলনগরে গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হলো বৃহৎ সাঁকো

গ্রামবাসীর উদ্যোগে কমলনগরের ভুলুয়া নদীতে সাঁকো

কমলনগর, লক্ষ্মীপুর: “দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ!” এই প্রতিপাদ্যটির সুফল আসতে শুরু করেছে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের ৮নং চর কাদিরা ইউনিয়ের ৭নং ওয়ার্ডবাসীর মাঝে। কোন সরকারী বা বেসরকারী সংস্থার অনুদানের দিকে না তাকিয়ে ৭নং ওয়ার্ডবাসী একে একে সামাজিক কাজে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। তারা কখনো পরিত্যক্ত রাস্তায় মাটি দিয়ে ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করছে, কখনো সাঁকো নির্মাণ করে খাল বা ছোট নদী পারাপার সুবিধা করছে।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ৪ বছর আগে ভুলুয়া নদীর খেয়াঘাটে নির্মাণ করে আনুমানিক ৩০০ মিটারের একটি সাঁকো। ভুলুয়ার পাড় থেকে যতদূর দেখা যায় চরের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য নজরজর কাড়বেই। এমন সুন্দর গ্রামকে আরো সুন্দর করেছে গ্রামবাসীর একতা। এবার আবার গ্রাম থেকে বাঁশ সুপারি গাছ ও আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্র সংগ্রহ করে যৌথ উদ্যোগে কালন মিয়া সড়কের মাথায় ভুলুয়া নদীতে নির্মাণ করলো প্রায় ৫০০ মিটার দৈর্ঘ্যের ২য় সাঁকো। যেখানে আগে সবাই একটি নৌকার উপর নির্ভর করে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে পারাপার হত, সেখানে এখন স্বাচ্ছন্দ্যে পারাপার হতে পারছে হাজার হাজার মানুষ। সাঁকো নির্মাণের ফলে সেই ভোগান্তির অবসান ঘটল।

চর কাদিরাবাসী মনে করে এই সাঁকোটি দু’পাড়ের সেতুবন্ধন সৃষ্টি করবে। অনেকে মনে করেন গ্রামবাসীর এই যৌথ উদ্যোগ, সামাজিক কাজ, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন, একতা চর কাদিরাকে একটি আদর্শ গ্রামের সম্মান এনে দিবে।

//প্রতিবেদন/১৩০৫২০১৭//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য