তোরাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা ও ঈদ পূণঃমিলনী
- ০০:৩৫
- উপকূল আজ, উপকূল সংবাদ, উৎসব-পার্বণ, পূর্ব-উপকূল, লক্ষীপুর জেলা, সভা-সেমিনার-কর্মশালা, সর্বশেষ
- ৫৩৬
কমলনগর, লক্ষ্মীপুর : মেঘনাতীরবর্তী উপকূলীয় এলাকা লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষ্যে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ৫০ টি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ঈদ পূণঃমিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
১৯৬৮ সালে ঐতিহ্য এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই আগামি বছর ২০১৭ সালে বিদ্যালয়টির ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে উক্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যেগে বিদ্যালয়ের নামে একটি ফোরাম গঠন করা হয়। যার নাম দেওয়া হয়েছে “তোরাবগঞ্জ হাইস্কুল স্টুডেন্ট ফোরাম”।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীগণ তাদের বক্তব্যে অভিমত ব্যাক্ত করেন যে আগামি ২০১৭ সালে আমরা সবাই যে কোন ভাবে বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করবো।
আলোচনায় প্রাক্তন শিক্ষার্থী বর্তমান চাঁদপুর সরকারী কলেজের শিক্ষক প্রসেফর আলাউদ্দিন বলেন, আমি অত্র বিদ্যালয়ে পড়া লেখা করে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টি লক্ষ্মীপুর জেলার একটি আদর্শ ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।জেলাব্যাপী বিদ্যালয়টির রয়েছে সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তির দিক দিয়ে ব্যাপক সুনাম।
প্রাক্তন শিক্ষার্থী বর্তমান বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ও লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর ডট কমের সম্পাদক সানা উল্লাহ সানু তোরাবগঞ্জ হাইস্কুল স্টুডেন্ট ফোরামের ঘোষণা দিয়ে বলেন.আমি আশাবাদি উক্ত ফোরামের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানকে সাফল্যমন্ডিত করার জন্য তিনি প্রাক্তন সকল শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবনামা পেশ করেন।
প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমেটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান ফয়সল আহমেদ রতন বলেন, অনুষ্ঠানকে সফল করার জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব এবং সবার সহযোগীতা একান্তভাবে কাম্য।
অনান্যাদের মাঝে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদিন, প্রাক্তন শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন ফারুক, আবদুজ্জাহের ভুইয়া, নুরুল হুদা মার্টিনী, মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পি, ওমর ফারুক সাগর, জাহাঙ্গীর আলম বিপ্লব, রাকিবুল হাসান বিপ্লব, আনোয়ার হোসেন, সদ্য ২০১৬ ব্যাচের বিদায়ী শিক্ষার্থী জুনাইদ আল হাবিব সহ আরো অনেকে।
সকলের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে বিদ্যালয়ের সব স্মৃতির পাতার কথাগুলো। পূণঃমিলনীতে সবাই সবাইকে পেয়ে বেশ আনন্দ অনুভব করেন।
বিদ্যালয়টি উপজেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গৌরব অর্জন করায় সকলের মাঝে আনন্দ বিরাজ করেছে। জেলাব্যাপী বিদ্যালয়টির সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির দিকে রয়েছে ব্যাপক সুনাম।
//প্রতিবেদন/উপকূল বাংলাদেশ/০৮০৭২০১৬//
