উপকূলের কণ্ঠস্বর রেডিও মেঘনা: সাফল্যের এক বছর

রেডিও মেঘনা’য় কথা বলছেন চরফ্যাসনের প্রান্তিক নারীভোলা : আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ বুধবার দেশের ১৫তম কমিউনিটি ‘রেডিও মেঘনা’ সাফল্যের এক বছর পূর্ন করলো। গত বছর ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোলার চরফ্যাসনের কুলসুমবাগে রেডিও স্টেশনে নিজের কণ্ঠ দিয়ে রেডিও মেঘনা’র শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।‘উপকূলের কণ্ঠস্বর’ শ্লোগান নিয়ে দেশের মধ্য উপকূল তথা দ্বীপ জেলা ভোলা অঞ্চলের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে এ রেডিও’র যাত্রা শুরু হয়েছিল। বেসরকারি সংস্থা কোস্টট্রাস্ট পরিচালিত এই রেডিও স্টেশন চারিদিকে ১৭ কিলোমিটার এলাকায় শ্রোতাদের তথ্য দিয়ে আসছে ৯৯ দশমিক ০ মিটার ব্যান্ডে। গত এক বছর ধরে এ রেডিও সংবাদ আর অনুষ্ঠানাদির মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষদের তথ্যপ্রবাহের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেছে।

দেশের উপকূল অঞ্চলে আরও বেশ কয়েকটি কমিউনিটি রেডিও থাকলেও ভোলাসহ মধ্য উপকূলের দ্বীপাঞ্চলে এটি প্রথম কমিউনিটি রেডিও। এই স্টেশন স্থাপনের ফলে বিচ্ছিন্ন এলাকার বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী উপকৃত হচ্ছেন। দুরযোগকালে সঠিক তথ্য পেয়ে নিজেদেরকে নিরাপদে রাখতে পারছেন। নিয়মিত উন্নয়ন তথ্য পেয়ে বদলাতে পারছেন নিজেদের অবস্থা। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, দুরযোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ, উন্নয়নসহ নানান বিষয়ে অনুষ্ঠান প্রচার করে রেডিও মেঘনা মানুষদের সচেতন করার উদ্যোগ নিয়েছে।

রেডিও মেঘনা‘র বছর পূর্ন উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রেডিওতে এ উপলক্ষ্যে প্রচারিত হবে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা।

প্রসঙ্গত, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এরইমধ্যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে দেশের কমিউনিটি রেডিওগুলো। রেডিও স্টেশনগুলোর স্টুডিওতে এসে নিজেরাই বলছেন নিজেদের কথা। কমিউনিটি রেডিওগুলো স্থানীয় নাগরিকদেরই কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছে। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার দাবি উঠেছে কমিউনিটি টেলিভিশনের।

//উপকূল বাংলাদেশ/ভোলা/১৭০২২০১৬//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য