পর্যটকদের পদচারনায় মুখর কুয়াকাটা
- ১২:১২
- ঘটনাপ্রবাহ, বিশেষ প্রতিবেদন, সর্বশেষ
- ২০৭
হোসাইন আমির, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।। পর্যটন নগরী কুয়াকাটা দীর্ঘ ২ মাস পর পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠছে। পর্যটক মৌসুমের শুরু থেকেই রাজনৈতিক সংহিংসতার কারনে কুয়াকাটার ব্যবসা বানিজ্য স্থবির হয়ে পরে ছিলো। সাপ্তাহিক ছুটি পেয়ে গত দুই দিনে সমুদ্র সৈকত থেকে শুরু করে দর্শনীয় স্পট, নারিকেল বাগান, ঝিনুক মার্কেট, রাখাইন মার্কেট সহ সব জায়গাতেই পর্যটকদের ভীড় দেখা গেছে। তবে ব্যবসায়ীদের মনে আতংক সামনে রাজনৈতিক কর্মসূচির দিকে। পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি নজরদারীর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সীবিচ ঘুরে দেখা যায়, অনেক দিন পরে আগত পর্যটকের দৃশ্যটা ছিলো চমৎকার। খুশির মুখে হেসে উঠেছে এখানকার হোটেল মোটেল, ট্যুরিজম, রেস্টুরেন্ট, মটর ব্যবসায়ীর মুখ। ইতোমধ্যে আগামী সপ্তাহের জন্য কুয়াকাটার অর্ধ শতাধিক আবাসিক হোটেল বুকিং হয়ে গেছে বলে জানায় অনেক হোটেল ম্যানেজার। গঙ্গামতি লেগ, ফাতরার বন, সোনাকাটা, শুটকি পল্লী, মিস্ত্রীপাড়া বৌদ্ধ মন্দির, কুয়াকাটার কুয়া, রাখাইন পাড়ার তাত এসব দর্শণীয় স্পট গুলোতে ছিলো পর্যটকদের ভীড়। দুপুর জুড়ে পর্যটকরা কাটাচ্ছে সমুদ্র সৈকতে। শিশু থেকে শুরু করে আবাল বৃদ্ধ সবাই যেন একটু সমুদ্র ¯œানের শান্তি পেতে চায়।
এদিকে দীর্ঘ কয়েকমাস পরে পর্যটকদের আগমনের সাথে সাথে পর্যটক নির্ভর ব্যবসা বানিজ্য গুলো যেন পর্যটকদের স্পর্শে হেসে উঠেছে ক দিন ধরে। হোটেল রেস্টুরেন্ট গুলোতে থালা বাটির ঝন ঝন শব্দ বেন বেজেই চলেছে।
বীচের পারে শুটকি বিক্রেতা খলিল জানান, অনেক দিন পরে পর্যটক আসায় একটু ভালো লাগছে, বেচা কিনা কম হলেও রাজ নৈতিক অবস্থা এভাবে থাকলে আমরা সাধারন ব্যবসায়ীরা ভলো থাকবো।
বিশ্বখ্যাত সাগর কন্যা কুয়াকাটা যদি পর্যটকদের সুবিধায় রাজনৈতিক আওতা মুক্ত রাখা হয় এ জন্য সরকার ও রাজনীতিবিদের কাছে দাবি জানান কুয়াকাটা সী ট্যুরিজমের কর্মকর্তা জনি আলমগীর।
