গ্রামীণ বাজারের সড়ক, ঠিক যেন ধানক্ষেত!

জিয়ানগরের ইন্দুরকানি বাজারের প্রধান সড়কজিয়ানগর (পিরোজপুর) : জিয়ানগরের ইন্দুরকানী বাজারে ড্রেনেজের অভাবে জনদুর্ভোগ চরমে পৌছেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই উপজেলা সদরের প্রানকেন্দ্র এই বাজারটিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে বাজার জুড়ে কাদা পানির ছড়াছড়ি চলে বর্ষা মৌসুমে।সূত্র বলছে, ইন্দুরকানী বাজারে পাঁচ শতাধিক দোকান রয়েছে। যেখানে জিয়ানগর ও মোড়েলগঞ্জ উপজেলার কয়েক সহস্রাধিক ক্রেতা সাধারন নিয়মিত কেনাকাটা করে থাকেন। কিন্তু অপরিকল্পিত ভাবে মার্কেট নির্মান এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি থাকায় ক্রেতা বিক্রেতারা জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছেন নিয়মিত। এ ছাড়া বাজারটিতে কোন গণশৌচাগার ও ড্রেন না থাকায় পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়েছে। আবার বাজারের অভ্যন্তরীন সড়ক গুলো চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ সড়কে ইট না থাকায় জন সাধারনের চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।

অন্যদিকে বাজারের প্রধান সড়কে নতুন নতুন ভবন নির্মানের সময় নির্মান সামগ্রী এই সড়কের উপর রাখায় প্রায়ই যানজট ও দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়।

পত্তাশী থেকে আসা ইন্দুরকানী বাজারের ক্রেতা হুমায়উন কবির (৩৮) জানান, এই বাজারে জলাবদ্ধতার কারনে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পায়ে হেটে চলার মত কোন উপায় নেই। তাই বাধ্য হয়ে রিক্সা নিয়ে দোকানে দোকানে গিয়ে পন্য ক্রয় করতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুল কবির স্বপন জানান, উপজেলা সদরের প্রান কেন্দ্র ইন্দুরকানী বাজারে ড্রেনেজের অভাবে যে জলাবন্ধতার শিকার জনসাধারন হচ্ছে তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। যাতে জরুরী ভিত্তিতে এখানে ড্রেনেজের ব্যবস্থা করা হয় তার জন্য কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

//আহাদুল ইসলাম শিমুল/ উপকূল বাংলাদেশ/জিয়ানগর-পিরোজপুর/০৫০৮২০১৫//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য