জেলেদের জালে বিশাল আকৃতির করাতি হাঙ্গর!

বরগুনার জেলেদের জালে ধরা পড়া করাতি হাঙ্গরবরগুনা : বরগুনার জেলেদের জালে বিলুপ্ত প্রায় করাতি হাঙ্গর আটক। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকালে  বঙ্গোপসাগরে বৃহৎ আকৃতির এই বিলুপ্ত প্রায় করাতি হাঙ্গর টি জেলেদের জালে ধরা পড়েছে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বরগুনা মৎস্য বাজারের সাগর ফিস মৎস্য আড়ৎ-এর মালিক পান্না মাতুব্বর ৪ লাখ টাকা দিয়ে জেলেদের কাছ থেকে এই হাঙ্গরটি ক্রয় করেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে সামুদ্রিক বিলুপ্ত এই হাঙ্গরটি বাজারে বিক্রির জন্য তোলা হলে শতশত উৎসুক জনতা মাছটি দেখার জন্য ভীড় জমায়। ১২ মন ওজন ও ১০ হাত দৈর্ঘের এই মাছটি ১২শ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়।

এবিষয়ে বরগুনা মৎস্য বাজারের মৎস্য আড়ৎদার পান্না মাতুব্বর বলেন, বঙ্গোপসাগের জেলেদের জালে মাছটি ধরা পড়ার সাথে সাথে আমাকে জানায় এবং আমিও মাছটি ক্রয় করি। বুধবার সকালে মাছটি আমার আড়ৎ-এ নিয়ে আসে। মাছটি এই পর্যন্ত আনতে প্রায় ৪ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। বৃহস্পতিবার মাছটি বাজারে ১২‘শ টাকা কেজি হিসেবে ৪‘শ ১৭ কেজি ৫ লাখ ২১ হাজার ২৫০ টাকা বিক্রি করা হয়েছে বলে আড়ৎদার জানিয়েছেন।

স্থানীয় কয়েকজন মৎস্য ব্যবসায়ী জানান, মাছটির মূল্য আরো অনেক বেশি এবং এর দাত খুব মূল্যবান। স্থানীয় বাজারে ক্রেতাদের নিকট এর চাহিদাও যথেষ্ট রয়েছে।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বঙ্কিম চন্দ্র বিশ্বাস  বলেন, এটি বিলুপ্ত প্রায় সামুদ্রিক করাতি হাঙ্গর স্থানীয় লোকজনের কাছে খটক মাছ হিসেবে পরিচিত। এটি খেতে খুবই সুস্বাধু এবং স্বাস্থ্যসম্মত।

স্থানীয় বুড়িরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বরগুনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান হাঙ্গরের দাতটি সংরক্ষনের জন্য ক্রয় করেছেন বলে জানা গেছে।

//প্রতিবেদন উপকূল বাংলাদেশ/বরগুনা/২৯০১২০১৫//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য