পুলিশ অফিসার ক্লোজড, চার সন্ত্রাসী গ্রেফতার

কুয়াকাটায় বর্বরতার চিত্রকলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা তিন নারীসহ পাঁচ পর্যটককে রশিতে বেধে বেধড়ক মারধর করে টাকা-পয়সা স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে রাস্তায় ঘোড়ানো এবং শ্লীলতাহানির ঘটনায় পুলিশ চার সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে এদেরকে  মহিপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরা হচ্ছে নুরুল হক, চোরা আলমগীর, দুলাল ও খোকন। তবে আওয়ামী লীগ নেতা মহিপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক আকন্দের ছেলে মূলহোতা সোহাগ আকন্দ ও সহযোগী সন্ত্রাসী মামুনকে গ্রেফতার করা যায়নি। এছাড়া দায়িত্বে অবহেলার কারণে মহিপুর পুলিশি তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আবুল কাশেমকে পটুয়াখালী পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২১ নবেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় ফাতড়ার বনাঞ্চল ঘুরে ফেরার পথে খালগোড়া এলাকায় নারী-পুরুষ পর্যটক দলের সদস্যদের ট্রলার থেকে নামিয়ে রশি দিয়ে বেধে, জিআই পাইপ দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে, টাকা-পয়সা স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেয়। শুধু তাই নয় বর্বরভাবে মারধর করে শ্লীলতাহানি ঘটানো হয়। ঘন্টাব্যাপী রাস্তায় ঘোড়ানো হয়।

এঘটনায় ২২ নবেম্বর কলাপাড়া থানায় পর্যটক দলের সদস্য চম্পা কলাপাড়া থানায় মামলা করেন। পর্যটক সদস্যদের এভাবে নির্দয় মারধর শ্লীলতাহানির ঘটনাটি মোবাইলে ধারণ করার ভিডিও ফুটেজটি এলাকায় সর্বত্র আলোচনায় পরিনত হয়েছে। প্রশাসনে তোলপাড় শুরু হয়।

পুলিশ জানায়, মামলার অপর আসামি সোহাগ আকন্দ, তার ফুফাতো ভাই মামুন হাওলাদার, ফজলু, ফেরদৌস, শাহিদ, সোহরাবসহ অপর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

//মেজবাহউদ্দিন মাননু/উপকূল বাংলাদেশ/কলাপাড়া-পটুয়াখালী/২৫১১২০১৪//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য