এগোচ্ছে মহাসেন, ৪ নম্বর সংকেত

mahasen4.JPGনিজস্ব প্রতিবেদক।।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ উপকূলের দিকে আরো এগিয়ে আসায় দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোকে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়, সোমবার বেলা ১২টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিম এবং মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২২০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

ঘূর্ণিঝড়টি আরো ঘনীভূত হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়।বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ উপকূলের দিকে আরো এগিয়ে এসেছে। দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোর জন্য তিন নম্বর সতর্ক সঙ্কেত বহাল রাখা হয়েছে।
তৃতীয় শতকে শ্রীলঙ্কা শাসন করা রাজা মহাসেনের নামে এই ঝড়ের নামকরণ ‘মহাসেন’ করেছে এস্কাপ (ইএসসিএপি) প্যানেল। তথ্য সংরক্ষণ ও বোঝানোর সুবিধার জন্য ঝড়গুলোর নাম আগেই ঠিক করে রাখা হয়।

নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার পর থেকেই আবহাওয়া অধিদপ্তর বিশেষ বুলেটিন প্রচার করতে শুরু করে।

সোমবার সকালে আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় “মহাসেন” উত্তর- উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি সোমবার সকাল ০৬ টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৮৫ কিঃ মিঃ দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩০৫ কিঃ মিঃ দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিম এবং মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩০৫ কিঃ মিঃ দক্ষিণে অবস্থান করছিল (১১.০০ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৬.৫০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর- উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কি.মি.-এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কি.মি., যা দমকা অথবা ঝড়োহাওয়ার আকারে ৮৮ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত  দেখিয়ে যেতে  বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের  কাছাকাছি  থেকে  সাবধানে চলাচল ও তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করার জন্য পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সাইক্লোনের আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, “মঙ্গলবার বিকেল নাগাদ মহাসেন মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশ এবং সংলগ্ন বাংলাদেশ উপকূলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে।”

দেশটির নৌ ও বিমান বাহিনীর যৌথ টাইফুন সতর্কতা কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬৬ কি.মি. পর্যন্ত উঠতে পারে।

মহাসেন মোকাবিলায় প্রস্তুতি
এদিকে ‘মহাসেন’ দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে। দুই জেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এসএম আবদুল কাদেরের নেতৃত্বে চট্টগ্রামে গঠিত কমিটিতে সেনাবাহিনী, সিটি কর্পোরেশন, ফায়ার সার্ভিসসহ ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কমিটির প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান বলেন, “উপকূলে মহাসেনের আঘাত হানার আশঙ্কায় ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”

ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় কক্সবাজারে স্বাস্থ্য বিভাগের সব কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. কাজল কান্তি বড়ুয়া জানান, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে ১১৩টি জরুরি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন বলেন, “দুর্যোগ মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে মাইকিংয়ের পাশাপাশি সকল প্রকার ট্রলার সাগরে না যাওয়ার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।”

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার উপকূলে ফিরতে শুরু করেছে।শনিবার সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে ১০০ কিলোমিটারের বেশি পথ এগিয়েছে ঘূর্ণিঝড় “মহাসেন”। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আরো ঘনীভূত হয়ে উত্তর উত্তর-পশ্চিমে অগ্রসর হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের এক টানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২  কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়োহাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে।

রোববার সকালে আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে (ক্রমিক নম্বর-৬) বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫২০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৪৩০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিম এবং মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৪৮৫ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্র বন্দর সমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার সমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি  থেকে  সাবধানে চলাচল করতে বলা হযেছে। সেই সঙ্গে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করার জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
সাগর মাঝারি ধরনের উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোতে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সাইক্লোনের আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, আগামী মঙ্গলবার বিকাল নাগাদ মহাসেন মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশ এবং সংলগ্ন বাংলাদেশ উপকূলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে।
এ সময় বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ১৬৬ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ ও বিমান বাহিনীর যৌথ টাইফুন সতর্কতা কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিপ্তরের আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, তৃতীয় শতকে শ্রীলংকা শাসন করা রাজা মহাসেনের নামে এই ঝড়ের নামকরণ করেছে এস্পেক (ইএসসিএপি) প্যানেল।
তথ্য সংরক্ষণ ও বোঝানোর সুবিধার জন্য এস্পেক ঝড়গুলোর নাম দেয়, যা আগেই ঠিক করে রাখা হয়।

এ ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলা করতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক বৈঠক রোববার বিকেল সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, “দুর্যোগ মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন দফতরের সমন্বয়ে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা (মাইকিং) পাশাপাশি সব প্রকার ট্রলার সাগরে না যাওয়ার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।”

সভায় কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. কাজল কান্তি বড়ুয়া জানান, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ১১৩টি জরুরি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, রোববার সন্ধ্যা থেকে কন্ট্রোল রুম খোলার পাশাপাশি জেলা পর্যায়ের সব কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নুরুল বাসির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আকতারসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত কক্সবাজারের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার নিয়ে কূলে ফিরতে শুরু করেছে। রোববার সন্ধ্যার মধ্যে সব ট্রলার ফিরবে বলে আশা করছেন ট্রলার মালিকরা।

মহাসেন মোকাবেলায় বরগুনায় প্রস্তুতি
মনির হোসেন কামাল বরগুনা থেকে জানান, ঘূর্ণিঝড় মহাসেন মোকাবেলায় সোমবার দুপুরে বরগুনা জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জরুরী সভা করা হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন, বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. আবদুল ওয়াহাব ভূইয়া। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন। সভাপতির বক্তব্যে বরগুনা জেলা প্রশাসক জানান, ঘুর্ণিঝড়ের আশংকা মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত সকল চাকুরীজীবিদের ছুটি বাতিল করা হলো। তিনি আরো বলেন, ঘূর্নিঝড়ের সর্বশেষ খবর জানতে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি, দুর্যোগ ও ত্রাণ অফিস এবং লোকবেতারের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখবেন। তিনি আরো জানান, সবাইকে যোদ্ধা হিসেবে দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির উপ-পরিচালক হাফিজুর রহমান বলেন, তাদের ৩৭২টি ইউনিটের ৫ হাজার ৫৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ শুরু করেছেন। জেলা দুর্যোগ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বলেন, জেলায় ৩২৪টি সাইক্লোন শেল্টার রয়েছে। যেখানে ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০০ জন মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে বরগুনার বেরীবাধগুলো। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছেন, জেলায় ২৭০ কিলোমিটার বেরীবাধ নেই। এসব এলাকা দিয়ে পানি ঢুকে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। সভা থেকে বরগুনাবাসীকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে ৪ নম্বর হুশিয়ারী সংকেত চলছে। এখনই সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে যাবার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। ৫ নম্বর সংকেত প্রচার হলে ঝুকিপূর্ন এলাকার সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে চলে আসতে হবে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় বরগুনা লোকবেতার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছে। সোমবার সকালে লোকবেতারে জরুরী সভা করা হয়েছে। সভায় লোকবেতারের সম্প্রচার ২৪ ঘন্টা চালু রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। তবে মাঝে মাঝে ট্রান্সমিশন যন্ত্র ঠান্ডা রাখার জন্য ঘোষনা দিয়ে অল্প সময়ের জন্য সম্প্রচার বন্ধ রাখা হতে পারে। লোকবেতারের স্টেশন ম্যানেজার মনির হোসেন কামাল জানান, বিদ্যুৎ চলে গেলেও লোকবেতারের সম্প্রচার বিশেষ ব্যবস্থায় চালু রাখা হবে। বিদ্যুৎ ছাড়াই একটানা ৫ দিন সম্প্রচার চালু রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। লোকবেতারের পরিচালক তারেক মাহামুদ জানান, আবহাওয়ার বার্তা প্রচারের পাশাপাশি লোকবেতার ক্ষুদে বার্তা প্রচার করছে। ক্ষয়ক্ষতি রোধে এ নির্দেশনাগুলো মানার জন্য লোকবেতার আবারও সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছে। যাদের ক্ষেতের বোরো ফসল ৮০ ভাগ পেঁকেছে, তারা ফসল কেটে ঘরে উঠিয়ে ফেলুন। গ্রীষ্মকালীন শাক-সব্জির মাঁচা শক্ত করে বাধুন। খাবার যোগ্য হলে কেটে ঘরে তুলুন। যাদের ঘরের পাশে বড় গাছ রয়েছে, তার ডালপালা কেটে ফেলুন। বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানিয়েছেন, ইতোমধ্যেই ২ সহস্রাধিক ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে চলে এসেছে। বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরফদার সোহেল রহমান জানান, লোকবেতারের সম্প্রচার গভীর সাগরে মাছ ধরা জেলেরা শুনতে পারেনা। সম্প্রচার সীমানা বাড়ানো হলে জেলেরা আবহাওয়ার বার্তা শুনে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসতে পারতো।

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য