উপকূল দিবসের দাবি

---

‘ভয়াল ১২ নভেম্বর’ আঁতকে ওঠা একটি দিনের নাম, মহাপ্রলয়ের নাম। ১৯৭০ সালের এই প্রলয় আজো বিশ্ব ইতিহাস। বছর ঘুরে আবার এসেছে সেই শোকের দিন।

সেদিন উপকূল পরিণত হয়েছিল মৃত্যুপুরীতে। এক রাতের প্রলয়ে প্রাণ হারিয়েছিল দশ লক্ষাধিক মানুষ। পুকুর-ডোবা, খাল-বিল এমনকি গাছের ডালে লাশ ঝুলে থাকার দৃশ্য দেখেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। বহু মানুষ সব হারিয়ে পথে বসেছিলেন।

‘ভোলা সাইক্লোন’ নামের এই ঘূর্ণিঝড়টি প্রচন্ড শক্তি নিয়ে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত করে। যথাযথভাবে আবহাওয়া বার্তা পাওয়া যায়নি, ছিল না আশ্রয়কেন্দ্র, বেড়িবাঁধ। রাস্তাঘাটের ছিল নাজুক অবস্থা। এরফলে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। জাতিসংঘ এই ঘূর্ণিঝড়কে পৃথিবীর ইতিহাসে এ যাবৎকালে সবচেয়ে বিধ্বংসী বলে আখ্যায়িত করেছে।

দাবি উঠেছে, ১২ নভেম্বরই হোক উপকূলবাসীর দিন, উপকূল দিবস। ২০১৭ সাল থেকে সমগ্র উপকূল জুড়ে এ দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। সামাজিক-সাংস্কৃতিক-স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং বিভিন্ন স্তরের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিগণ প্রস্তাবিত এই দিবসের পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। একটি দিবস উপকূলকে অনেক দূর এগিয়ে নিতে পারে। উপকূল সুরক্ষার কথা যেমন হতে পারে, তেমনি জনগোষ্ঠীর অধিকার ও ন্যায্যতার কথাও আলোচনা হতে পারে এই দিবসে। আবার সেদিনের প্রয়াত মানুষদের স্মরণও হতে পারে।

উপকূলীয় জেলা ভোলা, পটুয়াখালী, লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন জনপদের বয়সী ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ করে সেদিনের ভয়াবহতা ধারণা করা যায়। তারা বলেছেন, হঠাৎ করে কীভাবে পানি বেড়ে গেছে তা কেউ বলতে পারেন না। দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা প্রবল বাতাসের সঙ্গে ছিল গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, সেইসঙ্গে বাড়তে থাকে পানি। মানুষগুলো প্রথমে ঘরের ভিটিতে, পরে ঘরের মাচায়, এরপর গাছের চালায় আশ্রয় নেয়। পানির প্রবল তোড়ে ঘরের চালা ভাসিয়ে নিয়ে বহু মানুষ ভেসে যায়। অনেকে ঘরের চালার ওপর ভেসে বাঁচার চেষ্টা করেছে, অনেকে আবার গাছের ডাল ধরে বাঁচার চেষ্টা করেছেন। প্রায় ১৭-১৮ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায় গোটা উপকূল। এ অবস্থা দীর্ঘক্ষণ চলার পর বৃষ্টি ও বাতাস থেমে যায়। সকলে ভেবেছেন ঝড় থেমে গেছে। কিন্তু খানিক বিরতির পর উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আরও তীব্র বেগে আসা ঝড়ো হাওয়ায় সব ভাসিয়ে নেয়। ভাটার টানে পানি নেমে যায় সমুদ্রে। সেইসঙ্গে ভেসে যায় মানুষজন, গবাদি পশু, ঘরবাড়ি। পরেরদিন ভোরে পুব আকাশে ঝকঝকে সূর্য উঁকি দিলে ভয়াল চিত্র স্পষ্ট হতে থাকে। চারিদিকে চোখে পড়ে শুধু লাশ আর লাশ। বেঁচে থাকা মানুষেরা অনেকটা মৃতের মতোই বেঁচেছিলেন।

দ্বীপ জেলা ভোলার তজুমদ্দিনের শশীগঞ্জের বাসিন্দা মিজানুর রহমান নজু, যার বয়স এখন ৬০ বছর। ‘৭০-এর ঘূর্ণিঝড়ের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর। হাকিমুদ্দিন প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র ছিলেন। ঘূর্ণিঝড়ের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, পানির প্রবল তোড়ে ঘর ভেসে যাওয়ার পর একটি আমগাছ ধরার সুযোগ পাই। ওই আমগাছে থাকা ৭জন প্রায় ২ঘন্টা পানির সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। ভোরে আমগাছ থেকে নেমে আর বাড়িঘর চিনতে পারছিলেন না। নিথর দাঁড়িয়ে থাকেন। দু’এক কিলোমিটারের মধ্যে কোন বাড়িঘর দেখতে পাননি। তিনি বলেন, আমাদের কোন ধরণের প্রস্তুতি ছিল না। ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস পাইনি। আশ্রয়ের কোন ব্যবস্থা ছিল না। বেড়িবাঁধ থাকলেও তা ধ্বসে গিয়ে পানি প্রবেশ করে। কীভাবে যে সেই বিপদ সামাল দিয়েছি, তা জানিনা। আমাদের আবার নতুন করে শুরু করতে হয়েছে।

‘৭০-এর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে চরম সংকট নেমে আসে উপকূলীয় জনজীবনে। বহু মানুষ সারাজীবনের গচ্ছিত সহায়-সম্পদ হারিয়ে পথে বসে। পরিবারের সকলকে হারিয়ে অনেকে নির্বাক হয়ে যায়। অধিকাংশ মানুষ আবার শূন্য থেকে জীবন শুরু করে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার থেকে যথাযথভাবে সাহায্য সহযোগিতা আসেনি। ঘূর্ণিঝড়ের এক সপ্তাহেও উপকূলের বিপন্ন এলাকার অনেক স্থানে পৌঁছেনি ত্রাণ সহায়তা। রোগবালাই দেখা দিলেও চিকিৎসার ব্যবস্থা ছিল অপ্রতূল। শিশুদের অনেকেই ঝড়ে বেঁচে থাকলেও চিকিৎসার অভাবে মারা যায়। বহু বাড়িতে পুরুষেরা বেঁচে থাকলেও নারীরা বেঁচেছিলেন না। ফলে ঘরের কাজ করতে গিয়ে চরম সংকটে পড়েন বেঁচে থাকা পুরুষেরা। বেঁচে থাকা মানুষেরা অতিকষ্টে আবার নতুন করে জীবন শুরু করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন।

সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার ওপর দিয়ে মহাপ্রলয় বয়ে গেলেও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার ত্রাণ ও উদ্ধারকার্য পরিচালনায় চরম অবহেলা দেখায়। সংবাদপত্রের সূত্র এবং ঘূর্ণিঝড় কাভারকারী রিপোর্টারদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ওই সময়ে উপদ্রুত এলাকার মানুষ যথাযথভাবে ত্রাণ পায়নি। দিনের পর দিন না খেয়ে থেকেছে বহু মানুষ। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট উপকূলে দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে আসেন ১৪দিন পরে। এসময় তিনি মাত্র ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথা ঘোষণা করলে বিপন্ন মানুষেরা তা প্রত্যাখ্যান করে। পরবর্তীতে বিদেশি সংস্থার পক্ষ থেকে ত্রাণ হিসাবে খাবার, শীতবস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরণের উপকরণ আসে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের ১৭টি আসনের ‘৭০-এর সাধারণ নির্বাচন স্থগিত হয়। এসব আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ‘৭১-এর ১৭ জানুয়ারি।

তথ্যসূত্রগুলো বলছে, ‘৭০-এর ওই ঘূর্ণিঝড়টির উৎপত্তি হয় সে বছরের ৭ নভেম্বর এবং বিলুপ্ত হয় ১৩ নভেম্বর। ঘূর্ণিঝড়ে প্রথম বাতাস আসে দক্ষিণ-পূর্ব কোন থেকে। খানিক বিরতির পর দ্বিতীয় দফা প্রবল বাতাস আসে পশ্চিম-উত্তর কোন থেকে। দ্বিতীয় দফা বাতাসের সঙ্গে ছিল প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ছিল খুবই তীব্র। ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত করে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে। তখন ছিল রমজান মাস। ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় উপকূলের ভোলা, মনপুরা, তজুমদ্দিন, দৌলতখান, চরফ্যাসন, ঢালচর, কুকরি মুকরি, হাতিয়া, রামগতি, চর আব্দুল্লাহ, সন্দ্বীপ, ঢালচর, চর জব্বার, বরগুনা, পটুয়াখালী, চট্টগ্রাম। ঘূর্ণিঝড়ে সমুদ্র তীরের উপজেলা ভোলার তজুমদ্দিনের ৪৬ শতাংশ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ১৬৭০০০ মানুষের মধ্যে জীবিত ছিলেন মাত্র ৭৭০০০ মানুষ। ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘন্টায় ১৮৫ কিলোমিটার (তিন মিনিট স্থিতি), ঘন্টায় ২০৫ কিলোমিটার (এক মিনিট স্থিতি)।

ঘূণিঝড়ের স্মৃতিচারণ বিষয়ক নিবন্ধে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা তোফায়েল আহমেদ উল্লেখ করেন, ‘১২ নভেম্বর সকালে আমি নদীর পাড়ে গিয়ে অবাক ও বিস্মিত হলাম। শুধু কাতারে কাতারে মানুষের মৃতদেহ। আমি দিশাহারা হয়ে গেলাম। এখনো স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে শিবপুর ইউনিয়নে রতনপুর বাজারের পুকুর পাড়ে শত শত লোককে দাফন করার দৃশ্য। এত মৃতদেহ যে, দাফন করে আর কুলাতে পারছি না। যতদূর যাই শুধু মানুষের হাহাকার আর ক্রন্দন। এই শিবপুর ইউনিয়নে একটা বাড়ি, যেখানে ৯০ জন লোক ছিল। কিন্তু বেঁচে ছিলেন মাত্র ৩ জন। সবাই মৃত্যুবরণ করেছে। যখন তজমুদ্দিনের খবর পাই তখন শুনি, সেখানকার ৪০ শতাংশ লোকের মৃত্যু ঘটেছে। যে দাসের হাটে জনসভা করার কথা ছিল, সেখানে কিছুই ছিল না।’

উপকূলীয় জেলা লক্ষ্মীপুরের বাসিন্দা এ এইচ এম নোমান স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, ‘৭০-এর ঘূর্ণিঝড়ে রামগতি উপজেলার চর আব্দুল্লাহ ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মৎসজীবী অধ্যুষিত গোটা ইউনিয়ন প্রায় নারী-শিশু শূন্য হয়ে পড়ে। চর আব্দুল্লাহর বাসিন্দা ইয়াসিন ভূঁঞা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের সহকারী সচিব গর্ভনর হাউজে চাকরিরত। তার বাবা-দাদীসহ বাড়ির প্রায় সকলেই ভেসে যায় পানির তোড়ে। হাজী আলী হোসেনের ষোড়শী মেয়ে ঢেউয়ের টানে কিভাবে হাত থেকে ছিটকে চলে গেল তা বলতে পারেন না। চর কোলাকোপা এলাকায় সিএসপি আবদুর রব চৌধুরীর ২২ জন আত্মীয়-স্বজনকে জলোচ্ছ্বাসের রাতে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। তারা আর দিনের আলো দেখতে পাননি। এ ধরনের হাজারো করুণ ও নির্মম কাহিনী রেখে গেছে ‘৭০-এর ১২ নভেম্বর।

প্রয়াত সাংবাদিক এম সানাউল্লাহ্ নূরী তৎকালীন দৈনিক পাকিস্তানের হয়ে ‘৭০-এর ১২ নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড় কাভার করেছেন। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘রামগতি বাজারের নিকটবর্তী চর এলাকায় পৌছেই যে স্তুপীকৃত লাশ এবং মৃত গবাদি পশুর চিত্র দেখলাম, তা ভাষায় অবর্ণনীয়। চর বাদাম, চর সীতা এবং চর জব্বরে ধান ক্ষেতগুলোতে নাকে মুখে লোনা পানি লেপ্টানো হাজার হাজার লাশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখেছি। সাগরে ভাসতে দেখেছি অসংখ্য লাশ। রামগতি, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, ভোলা এবং পটুয়াখালী পরিণত হয়েছিলো ধ্বংসস্তুপে। একটি গাছের ৩০ ফুট উঁচু মাথায় অসহায় দুর্গত কুকুরকে দেখেছি হাহাকার করতে। কোথাও পানি উঠেছে ৪০ ফুট ওপরে। গোটা উপকূল অঞ্চলে প্রায় অর্ধকোটি লোক মৃত্যুবরণ করেছে। ১২৮৩ সনের ঘূর্ণিঝড়ের চেয়ে বহুগুণে ভয়াবহ ছিলো ‘৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়।’

‘৭০-এর ঘূর্ণিঝড় কবলিত মানুষেরা আজও সেদিনের কথা মনে করতে পারছেন না। প্রবীণ ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপে তাঁরা এখনও শিহরিয়ে ওঠেন। সমগ্র উপকূলে এমন পানির উচ্চতা তারা এর আগে আর কখনো দেখেনি। বিষাক্ত সাপসহ অন্যান্য সরীসৃপ প্রাণির সঙ্গে একসঙ্গে বসবাস করেছে বহু মানুষ। ভয়াল সেই রাতের মুখোমুখি উপকূলের মানুষেরা মনে করেন, এখনও অরক্ষিত উপকূলের বহু এলাকা। শক্ত এবং উঁচু বেড়িবাঁধের দাবি তাঁদের। তারা চায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র। সকল স্কুলের ভবন আশ্রয়কেন্দ্রের মত করে তৈরি করা হলে অনেক মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। একইসঙ্গে রাস্তাঘাট নির্মাণের ওপর জোর দিতে হবে।

বছর ঘুরে বার বার আসে ১২ নভেম্বর। এবার শক্তিশালী এই প্রলয়ের ৪৮তম বার্ষিকী। এরইমধ্যে ঝাপসা হতে চলেছে স্মৃতি। সংবাদপত্রে সেইদিনের খবরটিও ক্রমেই ছোট হতে চলেছে। আমরা সেদিনের স্মৃতি ভুলতে চাই না। সেই প্রলয় থেকে শিক্ষা নিতে চাই। আরও জোরদার প্রস্তুতি নিতে চাই। আসুন, ১২ নভেম্বর উপকূল দিবসের পক্ষে দাঁড়াই। উপকূলবাসীর জন্য হোক একটি দিন।


এ বিভাগের আরো খবর...
‘কুকরির জনারণ্যে সম্প্রীতির সুবাতাস’ -আবুল হাসেম মহাজন ‘কুকরির জনারণ্যে সম্প্রীতির সুবাতাস’ -আবুল হাসেম মহাজন
বরগুনায় বাণিজ্যিক সূর্যমুখী চাষে লাভবান কৃষক বরগুনায় বাণিজ্যিক সূর্যমুখী চাষে লাভবান কৃষক
পাইকগাছার পড়ুয়ারাদের প্রকৃতিপাঠ, সবুজে গড়ছে জীবন পাইকগাছার পড়ুয়ারাদের প্রকৃতিপাঠ, সবুজে গড়ছে জীবন
উপকূলের উদীয়মান সংবাদকর্মী ছোটন সাহা’র ছুটে চলার গল্প উপকূলের উদীয়মান সংবাদকর্মী ছোটন সাহা’র ছুটে চলার গল্প
কমলনগরে পড়ুয়াদের সবুজ জগত, অনুপ্রেরণায় ‘সবুজ উপকূল’ কমলনগরে পড়ুয়াদের সবুজ জগত, অনুপ্রেরণায় ‘সবুজ উপকূল’
শ্যামনগরে পড়ুয়ারা গড়ে তুলেছে পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন শ্যামনগরে পড়ুয়ারা গড়ে তুলেছে পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন
জনতার প্রিয় মানুষ এমপি মুকুল জনতার প্রিয় মানুষ এমপি মুকুল
একুশে বইমেলায় সাংবাদিক ছোটন সাহার ‘মেঘের আঁধারে’ একুশে বইমেলায় সাংবাদিক ছোটন সাহার ‘মেঘের আঁধারে’
‘সমৃদ্ধশালী মডেল ঢালচর গড়তে চাই’ : আবদুস সালাম হাওলাদার ‘সমৃদ্ধশালী মডেল ঢালচর গড়তে চাই’ : আবদুস সালাম হাওলাদার

উপকূল দিবসের দাবি
(সংবাদটি ভালো লাগলে কিংবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।)
tweet