ঢাকায় `সবুজ উপকূল’ সমাপনীতে মাঠ-সংগঠকদের পক্ষে বললেন শরণখোলার শেখ মোহাম্মদ আলী

বক্তব্য দিচ্ছেন শেখ মোহাম্মদ আলী

ঢাকা : ১১ জানুয়ারি ২০১৭ বুধবার ঢাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘‘ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক সবুজ উপকূল-২০১৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে কর্মসূচির মাঠ-সংগঠকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন শরণখোলার সিনিয়র সাংবাদিক শেখ মোহাম্মদ আলী। তিনি সবুজ উপকূল ২০১৬ কর্মসূচির শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জের দু’টি কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলী। ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবদুল আজিজ, মো. মুস্তাফা খায়েরসহ ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স এন্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ডিপার্টমেন্টের প্রধান মো. শাহাজাদা বসুনিয়া। গ্রীণ ব্যাংকিং ও সবুজ উপকূল বিষয়ে বক্তব্য দেন ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মুস্তফা খায়ের। সবুজ উপকূল ২০১৬ কর্মসূচির তথ্যচিত্র তুলে ধরেন কর্মসূচির কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী রফিকুল ইসলাম মন্টু।

সবুজ উপকূল ২০১৬ কর্মসূচির স্থানীয় সমন্বয়কারীদের পক্ষে বক্তব্য দেন শরণখোলার সিনিয়র সাংবাদিক শেখ মোহাম্মদ আলী এবং উপকূল থেকে আগত পড়ুয়াদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেয় লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জুনাইদ আল-হাবিব।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় ভিন্ন ধরণের কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে উপকূলে। এর ভেতর দিয়ে শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ঘটছে। তারা চারপাশের জগৎ নিয়ে ভাবতে শিখছে। তারা স্বপ্ন দেখছে। সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার পথ খুঁজে পাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা লেখালেখিতে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। যা তাদেরকে জীবন দক্ষতা গড়তে সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, এত প্রান্তিকে এর আগে কোন ব্যাংক এ ধরণের কর্মসূচি নিয়েছে বলে আমার জানা নেই। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের এই উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রসংশিত হচ্ছে। শরণখোলার রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরপর দু’বার এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, সেখানকার ছেলেমেয়েদের মাঝে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। তারা নিয়মিত দেয়াল পত্রিকা বের করছে। কর্মসূচির ফলে এই ব্যাংকটির নামও অনেকে জেনেছে। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের নামই অনেকে বলতে পারতেন না। এখন পারেন।

তিনি বলেন, দেখে ছোট একটা কর্মসূচি মনে হলেও এটা অনেক বড় কাজ।এ কর্মসূচি চালিয়ে যেতে হবে। অদূর ভবিষ্যতে আমাদের সামনে আরও অনেক ইতিবাচক সংবাদ অপেক্ষা করছে।

//প্রতিবেদন/১৩০১২০১৭//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য