উপকূল | জাহিদ হাসান তুহিন

বিপন্ন উপকূল

মেঘনা নদীর উপকূলে থাকি মোরা,
দুঃখ কষ্টের ভাসিয়ে ভেলা,
জায়গার নামটি কমলনগর উপজেলা।

উপকূলেই হাসি মোরা, উপকূলেই ভাসি,
যতই ঝড়-তুফান আসুক
তবুও এই উপকূলকেই ভালোবাসি।

মেঘনা যখন রাগ করে ভাই,
কি জানি সে কী করে হায়! উ জানেনা।
ধ্বংসে যখন মেতে উঠে, সবকিছু নেয়
লুটেপুটে, ধনী-গরিব সে তো কিছুই মানেনা।

যতই তারে করি বারণ,
ততই সে করে হরণ,
বেচে থেকেও সবকিছু মনে হয় মরণ!

তবুও দুঃখ-কষ্ট করে বরণ,
সরকারকে করিয়ে দিতে চাই স্মরণ,
দেশকে করতে ডিজিটাল করণ-
প্রতিরোধ করে নদী ভাঙন
উপকূলেরও করতে হবে উন্নয়ন।

যদি করে রোধ নদী ভাঙন,
দেখতে আসবে কত পর্যটক,
হবে দেশের উন্নয়ন।
ইলিশ মাছ ধরে জেলে, সারাদেশে
ধরবে তুলে পড়ালেখা করবে তাদের ও মেয়ে-ছেলে।
করে যারা কৃষিদ্রব্য চাষ, দিবে তা সারাদেশে বার মাস।

এখানকার নারিকেল-সুপারি সারাদেশে
তার নেই তো জুড়ি।
আর যদি না থাকে ঘর-বাড়ি, মেঘনা তা নেয় কাড়ি!
থাকবেনা তো ভাতের হাড়ি, কতজীবন যাবে অকালে ঝরি।
তাই রক্ষা কর আমাদের,

ফুটাও মূখে হাসি।
আমরাও সমস্বরে বলতে চাই- আমার
সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালবাসি।

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য