লক্ষ্মীপুরের কৃতিসন্তান নাট্যকার আহসান আলমগীরের ৩ নাটক এবারের ঈদে

নাট্যকার আহসান আলমগীরকমলনগর, লক্ষ্মীপুর : বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের পূর্ব উপকূল লক্ষ্মীপুরের কৃতিসন্তান জনপ্রিয় নাট্যকার আহসান আলমগীর। গ্রামের বাড়ি জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী গ্রামে। আহসান আলমগীরের জনপ্রিয়তার পিছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম আর সৃজনশীল চিন্তা শক্তি। যিনি তার উপস্থাপনার মাধ্যমে দর্শক মহলে বেশ জনপ্রিয় এবং প্রশংসিত হয়েছেন। তার নাটকের দৃশ্যগুলো দর্শককে কেবল আনন্দেই দেয় না, দর্শকের চিন্তাশীলতার বিকাশ ঘটে।

এবারের ঈদে আহসান আলমগীর রচিত কিছু নাটক বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত হবে। ঈদের দিন থেকে প্রতিদিন ৬.১৫ মিনিটে এশিয়ান টিভিতে প্রচারিত হবে অভিনেতা জাহিদ হাসান পরিচালিত ৭ পর্বের ধারাবিহিক নাটক “ঈদ মোবারক” এটিিএন বাংলায় প্রচারিত হবে ঈদের তৃতীয় দিন রাত ৮.৪০ ” ফটোকপি প্লাস” পরিচালনায় মজিবুল হক খোকন। একুশে টিভিতে প্রচারিত হবে “শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বিবাহ” পরিচালনায় পিকলু চৌধুরী।

এছাড়া আরো দুটো টেলিফিল্ম প্রচার হবে। “বুকে তার চন্দনের ঘ্রাণ‘’, ‘‘আবিস্কার’’, ও ‘‘ফেসবুক ভাইরাস’’ প্রচারিত হবে ঈদের পরে।

আহসান আলমগীরের রচনাকৃত প্রথম নাটক “দেয়াল আলমারী” প্রচারিত হয়েছে ২০০৮ সালের ১৫ আগষ্ট চ্যানেল ওয়ানে। তার আরেকটি বেশ জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক প্রকাশিত হয়েছে ২০০৯ সালে একুশে টেলিভিশনে। এর পরে তার বহু ধারাবাহিক নাটক ও টেলিফিল্ম দেশের খ্যাতনামা সরকারী এবং বেসরকারী স্যাটেলাইট টেলিভিশনে প্রকাশিত হয়েছে।

দর্শকদের মধ্যে রামগতি-কমলনগর অনলাইন অ্যাক্টিভিষ্ট ফোরামের সহ সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল হোসেন জানান, তিনি আমাদের লক্ষ্মীপুরের গর্বিত সন্তান।তার রচিত নাটকগুলো আমাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় এবং আমরা আনন্দ পাই। তার নাটকগুলো দেখার জন্য নাটক চলাকালীন সময়ে দর্শকদের মাঝে বেশ ভিড় লক্ষ করার মতো।

নাট্যকার আহসান আলমগীরের সাথে আলোচনা হলে বলেন,আমি ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন পত্রিকায় গল্প এবং নাটক নিয়ে লেখালেখি করতাম। এক পর্যায়ে আমার নাটকগুলো টিভি চ্যানেলগুলোত প্রকাশিত হতে থাকে।ধারাবাহিক ভাবে একের পর এক নাটক ও টেলিফিল্ম রচনা করে আসছি। আমার সফলতার পিছনে রয়েছে নাট্য রচনা অব্যাহত এবং কঠোর পরিশ্রম।

তার মতে, সব বিষয়ে জনপ্রিয় হতে হলে নিজের ভালো কাজ অব্যাহত রাখতে হবে এবং সৃজনশীল মনের অধিকারী হতে হবে। তিনি সবাইকে তার ব্যাক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

//প্রতিবেদন/উপকূল বাংলাদেশ/০৮০৭২০১৬//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য