বাঁশখালীতে চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিনের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিনের স্মরণে সভাবাঁশখালী (চট্টগ্রাম) : চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিনের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে উপকূল বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাঁশখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাঁশখালী উপজেলা সদর শিশু নিকেতন হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি অনুপম কুমার অভি। সাংবাদিক কল্যাণ বড়ুয়া মুক্তা সভা সঞ্চালন করেন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন।

সভায় বক্তব্য দেন সাংবাদিক মুহিব্বুল্লাহ ছানুবী, সাংবাদিক শফকত হোছাইন চাটগামী, সাংবাদিক সৈকত আচার্য্য, সাংবাদিক শাহ মুহাম্মদ শফিউল্লাহ, সাংবাদিক আবদুল জব্বার, সাংবাদিক আবদুল মতলব কালু, শিক্ষক মোঃ ইউসুফ প্রমুখ।

সভায় বক্তারা চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিনের জীবন আদর্শ নিয়ে আলোচনা করেন এবং গ্রামীণ জনপদে সাংবাদিকতার যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন মোনাজাতউদ্দিন তা নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, গ্রামীণ জনপদকে সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিন খবরের পাতায় তুলে এনে সাধারণ জনগণের জীবন ধারার পরিবর্তন সাধনের জন্য কলমের মাধ্যমে সংগ্রাম করে গেছেন। একই ভাবে মফস্বলের সাংবাদিকদের সেই ধারাবাহিকতা অনুশীলন করা প্রয়োজন। তাতেই গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহ সাধারণ জনগণ উপকৃত হবে।

প্রসঙ্গত, চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিন ১৯৯৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর ফেরির ছাদ থেকে যমুনা নদীতে পড়ে প্রাণ হারান। স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠণের সহায়তায় এ বছর থেকে উপকূল জুড়ে এই দিনটি পালনের উদ্যোগ নিয়েছে কোস্টাল জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ-সিজেএফবি। এবার উপকূলের ৩০ স্থানে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

//কল্যাণ বড়ুয়া মুক্তা/উপকূল বাংলাদেশ/বাঁশখালী-চট্টগ্রাম/০৩০১২০১৬//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য