লালমোহনে চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিনের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

ভোলার লালমোহনে চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিনের স্মরণ সভালালমোহন (ভোলা) : চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিনের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে ভোলার লালমোহনে।

মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে কোষ্টাল জার্ণালিষ্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ-সিজিএফবি’র উদ্যোগে আলোচনা সভায়

সভায় বক্তাগণ বলেন, চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিন এদেশের গ্রামীণ সাংবাদিকদের পথিকৃত। তার পথ অনুসরণ করলেই প্রকৃত সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। শুধু ঘরে বসেই অন্যের সংবাদ কপি করে সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে জাহির না করে মাঠে গিয়ে সাংবাদিকতা করতে পারলেই সাংবাদিক পদবীর স্বার্থকতা আসবে। খুঁজে আনতে হবে ঘটনার পেছনের ঘটনা।

সভাপতিত্ব করেন লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মাহমুদ হাসান লিটন। সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম জনির পরিচালনায় সভায় বক্তব্য দেন লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির উপদেষ্টা মোঃ আমজাদ হোসেন, লালমোহন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এসবি মিলন, সাধারন সম্পাদক আনোয়ার রাব্বী, লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ মাকছুদ উল্যাহ প্রমূখ। এসময় স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

ছবির ক্যাপশন ঃ চারণ সাংবাদিক মোনাজাত উদ্দিনের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখছেন সাংবাদিক মোঃ জসিম জনি।

প্রসঙ্গত, চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিন ১৯৯৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর ফেরির ছাদ থেকে যমুনা নদীতে পড়ে প্রাণ হারান। স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠণের সহায়তায় এ বছর থেকে উপকূল জুড়ে এই দিনটি পালনের উদ্যোগ নিয়েছে কোস্টাল জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ-সিজেএফবি। এবার উপকূলের ৩০ স্থানে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

//মোঃ জসিম জনি/উপকূল বাংলাদেশ/লালমোহন-ভোলা/৩১১২২০১৫//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য