উপকূলের সম্ভাবনা বিকাশে উদ্যোগ গ্রহন জরুরি

সম্ভাবনাময় উপকূলের চরাঞ্চল। লক্ষ্মীপুরের চর রমনীমোহনের চিত্র

রফিকুল ইসলাম মন্টু

সমুদ্রের নোনাজলের ঝাপটায় জেগে থাকা উপকূলের দিকে চোখ ফেরালে যে কারো নজরে ভেসে উঠবে অফুরন্ত সম্ভাবনার চিত্র। এখানে ঝড়-ঝাপটার তান্ডব যতটাই তীব্র, ঠিক ততটাই রয়েছে বিকাশের ক্ষেত্র। কী নেই এখানে? এক বাংলাদেশের অর্থনীতির গতি চাঙ্গা করার সব রসদই বিদ্যমান। সমুদ্রের রূপোলি মাছ মৎস্যজীবীর মুখে হাসি ফোটায়, মাঠের সোনালী ধান চাষির ঘরে এনে দেয় আনন্দ। প্রকৃতির সঙ্গে যেন নিবিড় সখ্যতা গড়ে উঠেছে সম্ভাবনাময় উপকূলের। তাইতো হাজারো ভয়ের প্রাচীর ডিঙিয়ে উপকূলের সংগ্রামী মানুষগুলো সকল সম্ভাবনার মাঝেই জীবিকার পথ খোঁজেন। পরিবার পরিজনের মুখে একবেলা খাবার যোগাড়ের চেষ্টায় সামিল হন। উপকূলের প্রান্তিকে প্রতিনিয়ত উজানে চলা মানুষেরা স্বপ্ন দেখেন বেঁচে থাকার। কিন্তু সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলার জন্য দরকার যথাযথ পরিকল্পনা কী আছে? এ বিষয়ে প্রণীত আইন ও নীতিমালার বাস্তবায়ন কতটা হচ্ছে? প্রশ্নগুলো বারবারই ঘুরেফিরে আসে। কিন্তু জবাব মেলে না!

সমুদ্র কিংবা উপকূলে সম্পদের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলতে গেলে মানুষের স্থিতিশীল বসবাসের বিষয়টি সবার আগে সামনে আসে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সেখানে মানুষ কতটা স্থায়ী হতে পারছে? যে মানুষেরা উপকূলের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলবে, তাদের নিরাপত্তা কতটা দেয়া যাচ্ছে? অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রশ্নগুলোর জবাব আসবে নেতিবাচক। ক্রমাগত পরিবর্তনে বদলে যাওয়া জীবনের চিত্র একেবারেই ওলটপালট। বহু মানুষের স্থায়ী জীবনটা ভাসমান জীবনে রূপ নিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, এর অন্যতম কারণ জলবায়ু পরিবর্তন। আর স্থানীয় মানুষের ভাষায়, এর কারণ জলোচ্ছ¡াস, নদীভাঙণ, জোয়ারের পানি বেড়ে যাওয়া, লবনাক্ততা বৃদ্ধি ইত্যাদি। শেষবিচারে আমরা এখানে উপনীত হতে পারি, দুর্যোগের প্রভাব উপকূলের মানুষদের নিয়ত তাড়িয়ে ফেরে। যেটা দেশের অন্যকোন এলাকায় নেই। তবে সব বাঁধা সরিয়ে আলোর পথে ফিরতে তো হবেই। কাজে লাগাতে হবে উপকূলের অফুরন্ত সম্ভাবনা।

মৎস্য সম্পদের কথাই ধরা যাক। এটি সমুদ্র বা উপকূলের সম্পদের মধ্যে অন্যতম। এক হিসাবে জানা যায়, উপকূলের ৫ লক্ষাধিক মানুষের জীবিকার প্রধান অবলম্বন মাধধরা। পরোক্ষ হিসাবে এই সংখ্যা হবে আরও অনেক বেশি। কিন্তু মাধ ধরার ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা আছে, তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছে না। সমুদ্রে মাধধরায় প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা তো অনেক পরে। তার আগেই তো অনেক সমস্যা রয়ে গেছে। মহাজনদের কাছ থেকে দাদন নিয়ে যে জেলে সমুদ্রে মাছ ধরতে যান, তার ঘরের ফেরার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারছে না। হয়তো ঝড়ের কবলে পড়ে মাছ ধরতে যাওয়া মানুষটি আরও ফিরতে পারেন না স্বজনের কাছে। অথবা দস্যুদের আক্রমনে তার জীবনে নেমে আসে কালো অন্ধকার। এতো গেল সমুদ্রের কথা! কিন্তু মহাজনেরা তো দাদন নিয়ে বসে থাকে। তার কাছে আছে অনেক টাকা। এই টাকায় আটকানো হয় জেলেদের। তাহলে অর্থটা দাঁড়ালো, কিনারে মহাজনের ঋণের টাকা শোধ করতে হলে জেলেকে সমুদ্রে যেতে হবে। ফলে সকল ভয় উপেক্ষা করেই জেলেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রে বা নদীতে মাছ ধরতে যেতে বাধ্য হয়।

সমুদ্র কিংবা উপকূলের নদনদীতে মৎস্য আহরণের এটা একটা দিক। কিন্তু এর সঙ্গে রয়েছে আরও অনেক বিষয়। বাইরে থেকে উপরিতলের কিছু বিষয় অনুভব করা গেলেও ভেতরের চিত্রগুলো পেতে আরও একটু গভীরে যেতে হবে। মৎস্য সম্পদ বাংলাদেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার অন্যতম মাধ্যম বলে ধরা হলেও শেকড়টাই যেন অন্ধকারে ঢাকা। যারা এই সম্পদ আহরণের সঙ্গে সরাসরি নিয়োজিত, তাদের কাছে আমরা বিশেষ কোন সুবিধা নিয়ে যেতে পারছি না। বিভিন্ন সময়ে সমুদ্র ও নদীতে মাছধরায় নিষেধাজ্ঞায় মৎস্যজীবীরা বেশ ক্ষতির মুখে পড়েন। কিন্তু এর সুফল তাদের ঘরে কতটা পৌঁছাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। পহেলা মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দু’মাস মাছধরায় নিষেধাজ্ঞা। এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যদিয়ে ছোট মাছ বড় হওয়ার সুযোগ দেয়া হয়। আবার ২৫ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর ১৫ দিন ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ রাখার আদেশ আসে। এছাড়াও বিভিন্ন অজুহাতে মাছধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। নিষিদ্ধ জাল আটকে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এইসব অভিযান কিংবা নিষেধাজ্ঞায় পরিকল্পনার যথেষ্ট অভাব রয়েছে বলে মনে হয়। নিষেধাজ্ঞা সময়কালে জেলেদের পুনর্বাসনে সহায়তা দেয়ার কথা। কিন্তু ক’জন জেলের ভাগ্যে মিলছে তা? সহায়তা বরাদ্দের সুষ্ঠু বন্টনের অভাবে পুরো পরিকল্পনাই যেন ব্যর্থতার মুখে পড়ে। তাছাড়া নিষেধাজ্ঞা দিয়ে মাছধরা সাধারণ জেলেদের বন্ধ রাখা হয় ঠিকই; বিপরীতে প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিহুন্দি জাল কিংবা বেড় জালের আধিপত্য তো কিছুতেই লাঘাম টানা যাচ্ছে না। অথচ এই দুই প্রকারের জালই সকল মাছে পোনা ধ্বংস করে দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলে থাকেন, শুধুমাত্র বিহুন্দি আর বেড় জাল বন্ধ করা সম্ভব হলে কোন অভিযানই প্রয়োজন হবে না। জেলেরা মাছ ধরে শেষ করতে পারবে না।

এতক্ষণ যে মাছধরা কিংবা মাছ আরণের কথা বলা হল, এটার সঙ্গেই জড়িয়ে আছে শুটকি উৎপাদনের বিষয়টি। উপকূলের বিভিন্ন স্থানে শীত মৌসুমে শুটকি তৈরির ধুম পড়ে যায়; যার কাঁচামাল বা মূল উপাদান আসে জেলেদের ট্রলার-নৌকা থেকে। কক্সবাজারের নাজিরের টেক, মহেশখালীর সোনাদিয়া, চট্টগ্রামের বাঁশখালী, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, বাগেরহাটের মংলার নিকটে দুবলার চরে শুটকি তৈরির বেশকিছু পল্লী গড়ে উঠেছে। সমুদ্র-নদীতে মাছ পাওয়া গেলে শুটকি পল্লীগুলোতে কাজের চাপ বাড়ে, আর মাছের অভাব দেখা দিলে সেখানেও সংকট লেগে যায়। শুটকি পল্লীতের কর্মরত হাজারো শ্রমিক তখন সংকটে পড়েন। কাউকে ফিরতে হয় অন্য কাজে। শুটকি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রেও বাঁধার পর বাঁধা। শুটকি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপকালে তারা এমন ইঙ্গিতই দেন। তাদের কথায়, জলবায়ু ও আবহাওয়া পরিবর্তন বিষয়ক সমস্যা যেমন রয়েছে, তেমনি আছে বাজারজাতকরণে সমস্যা। কখনো লাভজনক মূল্য না পাওয়া আবার কখনো শুটকি পরিবহনে ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি। এসব বাঁধা অতিক্রম করে শুটকির উৎপাদন বাড়ানো কিংবা এর বাজার সম্প্রসারণ অনেকটাই চ্যালেঞ্জের।

পূর্ব উপকূলে, বিশেষ করে কক্সবাজার, চকোরিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, টেকনাফ, বাঁশখালীর মাঠে মাঠে লবণের চাষ চোখে পড়ে। বিশাল মাঠের এক কোনে হয়তো ধান কিংবা অন্য ফসলের আবাদ; কিন্তু অধিকাংশ স্থান দখল করে আছে লবণ। চাষিরা বংশপরম্পরায় লবণের চাষ করছেন। জমি বর্গা নিয়ে কিংবা কেউ কেউ নিজের জমিতে আবাদ করেন লবণ। বহু মানুষ শ্রমিক হিসাবে কাজ করেন। মৌসুমে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক নিয়োগ হয়। লবণ বিক্রির আগেই শ্রমিকের মজুরি শোধ করতে হয়। দিনে দিনে উপকূলের লবণ শিল্পের সম্ভাবনাও বেশ বিকশিত হয়েছে। এই শিল্পে রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। কিন্তু কেউ পাঁচজন লবণ চাষির সঙ্গে কথা বললে সহজেই অনুমান করতে পারেন, এটা দিয়ে কতটা পুষিয়ে থাকা সম্ভব। মাঠে লবণের কেজি যেখানে এক টাকা কিংবা কখনো এর চেয়েও নিচে নেমে যায়, তখন আর কী আশা দেখতে পাই এই শিল্পে। কতিপয় সুবিধাবাদী মহলের আগ্রাসন লবণের সম্ভাবনা দমিয়ে রাখার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

উপকূল অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক অনেক শিল্পের কথাই আমরা জানি। চিংড়ি চাষ, কাঁকড়া চাষ, ঝিনুক চাষ, মুক্তা চাষ এমনকি গবাদি পশু ও দুগ্ধ খামারের মত শিল্প। এলাকা ভিত্তিক কৃষি উন্নয়নের প্রকল্প যেমন হতে পারে, তেমনি কৃষি ভিত্তিক শিল্পও হতে পারে। পরিবহন ও পর্যটনেও রয়েছে সম্ভানা। সমুদ্রের সৈকতে খনিজ বালুর যেমন সম্ভাবনা আছে, তেমনি সমুদ্রে তলদেশেও রয়েছে অফুরন্ত সম্পদ। এসব শিল্প আমাদের সমানে অমিত সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। পলি মাটি জমে ক্রমাগত উর্বর করে তুলছে উপকূলের মাটি। নদীর বুকে গড়ে ওঠা চরগুলোতে হচ্ছে নানা জাতের ফসল। জীবিকা নির্বাহের লক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষেরা নিজেদের উদ্যোগেই কৃষিভিত্তিক প্রকল্প গড়ে তুলছে। চিংড়ি চাষ, মাছ চাষের মত ঝুঁকিও নিচ্ছে কেউ কেউ। এগুলোর ক্ষেত্রে যথাযথভাবে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা আছে কী? উপকূল সন্ধানে গিয়ে সে প্রশ্ন বারবার ঘুরপাক খায়।

সম্ভাবনা বিকাশে বিভিন্ন ধরণের আইন ও নীতিমালা তো আছেই, তার ওপর সুনির্দিষ্টভাবে উপকূলের উন্নয়নে ২০০৫ সালে তৈরি হয়েছিল একটি পলিসি। বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ড সরকারের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের অধীনে সরকারের সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের মতামতের ভিত্তিতে কোস্টাল জোন পলিসি তৈরি হয়। অথচ উপকূলের উন্নয়নে ওই পলিসি ব্যবহারের রেওয়াজ এখনও গড়ে ওঠেনি। অনেক সরকারি দপ্তর পলিসি সম্পর্কে তেমনটা জানেনও না। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রসঙ্গে কোস্টাল জোন পলিসি ২০০৫ এর ৪.১ (ক) ধারায় স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, ‘দারিদ্র্য হ্রাস ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জাতীয় লক্ষ্য অর্জনের জন্যে বাৎসরিক প্রবৃদ্ধির হার বাড়ানোর পদক্ষেপ গ্রহন।’ আবার ৪.১ (খ) ধারায় উল্লেখ রয়েছে, ‘উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাপ্ত সুযোগের টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য সাগরের মাছ, লবণ চাষ, শুটকি, চিংড়ি চাষ, কাঁকড়া চাষ, ঝিনুক চাষ, মুক্তা চাষ, গবাদি পশুর উন্নয়ন, এলাকাভিত্তিক কৃষি উন্নয়ন, কৃষিভিত্তিক শিল্প, পরিবহন, জাহাজ নির্মাণ, জাহাজভাঙা, পর্যটন, সমুদ্র সৈকতের খনিজ আহরণ, নবায়নযোগ্য বা অনবায়নযোগ্য শক্তি প্রভৃতির ক্ষেত্রে বিনিয়োগের বিদ্যমান সুযোগ কাজে লাগানো।’ পলিসির এ দু’টো ধারা পর্যালোচনা করলে সহজেই অনুমান করা যায় উপকূলের প্রাকৃতিক সম্পদ ও সুযোগ কাজে লাগাতে রাষ্ট্র কতটা জোরালো ভূমিকা রাখছে।

উপকূলের পেক্ষাপটে বললে সম্পদ আহরণ এবং সম্পদের সুষম ব্যবহারের বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। এখানে অফুরন্ত সম্ভাবনা থাকলেও সে সম্পদের ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা রয়েছে। প্রাকৃতিক পরিবেশের বিপর্যয় কিংবা জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে যদিও আমাদের কিছুই করার নেই। তবুও এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। আর পরিকল্পনার কেন্দ্রে থাকতে হবে মানুষ। সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের কণ্ঠস্বর পরিকল্পনায় তুলে আনতে সব ব্যবস্থা নিতে হবে। এর পাশাপাশি উপকূলের সম্পদ আহরণে আপডেট সমীক্ষা খুবই জরুরি। আমরা হয়তো ৫-১০ বছর আগের তথ্য নিয়ে কথা বলছি। একটা গবেষণা হলে সেই তথ্য ব্যবহৃত হচ্ছে বছরের পর বছর। যেকোন কার্যক্রম শুরুর আগে আপডেট তথ্যের জন্য মাঠ পর্যায়ে সমীক্ষা চালাতে হবে। তাহলেই পরিকল্পনাটা হবে বাস্তবসম্মত, আর তা থেকে উপকৃত হবে মানুষ।

কারণ, আপডেট তথ্য না পেলে আর পরিকল্পনায় উপকূলের মানুষের কণ্ঠস্বরের প্রতিফলন ঘটাতে না পারলে উপকূলের সম্ভাবনার দুয়ারে দাঁড়িয়ে থেকে কোন লাভ নেই।

//১৯.০৪.২০১৯//

রফিকুল ইসলাম মন্টু

রফিকুল ইসলাম মন্টু

উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক। বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলের ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তার পদচারণা। উপকূলীয় ১৬ জেলার প্রান্তিক জনপদ ঘুরে প্রতিবেদন লিখেন। পেশাগত কাজে স্বীকৃতি হিসাবে পেয়েছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেকগুলো পুরস্কার।
পাঠকের মন্তব্য