‘কুকরির জনারণ্যে সম্প্রীতির সুবাতাস’ -আবুল হাসেম মহাজন

দৃশ্যপটে কুকরি এবং ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন

দ্বীপ জেলা ভোলার দক্ষিণের উপজেলা চরফ্যাসনের চরকুকরী মুকরী দ্বিতীয় বারের মতো বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন নির্বাচিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ১১ জুলাই ২০১৮ বুধবার সকালে বরিশালের অশ্বিনী কুমার টাউন হলে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের আলোচনা সভায় বরিশালের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার গোলাম মোস্তফা সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন কুকরী মুকরী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজনের হাতে। কুকরী মুকরী সম্পর্কে কী বলেন ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন? কেমন আছেন কুকরির বাসিন্দারা? উপকূলের প্রান্তিকের এই জনপদ এগিয়েছে কতটা? এই দ্বীপের সম্ভাবনা বিকাশে কী-ই বা তাঁর স্বপ্ন? সাক্ষাতকারে বিস্তারিত-

উপকূল বাংলাদেশ: কুকরি মুকরির মানুষ কেমন আছেন?
আবুল হাসেম মহাজন: কুকরি মুকরির মানুষ ভালো আছেন। এক সময় এখানে বেড়িবাঁধ ছিল না; রাস্তাঘাট ছিল না; শিক্ষার পরিবেশ বলতে কিছুই ছিল না। ২০-২২ বছর আগে এখানে যে মৌসুমী বিয়ে হতো; ছ’মাস এখানে মানুষ এসে বসবাস করতো এবং সেই সময়কালের জন্য একটি বিয়ে করে ফেলতো। এগুলো থেকে আমরা অনেক উত্তরণ হয়ে এসেছি। এখন মৌসুমী বিয়ে নেই। আগে এখানে রাস্তাঘাট ছিল না। সেই থেকে আমরা অনেক উত্তরণ হয়ে আজকে পাকা রাস্তায় পথ চলছি; রেষ্ট হাউস হয়েছে। মানুষের জীবনযাত্রার মান অনেক বেড়েছে। বিগত দশ বছর পেছনে ফিরে তাকালে দেখবো, এই দ্বীপে হয়তোবা বড়জোর ২০-৩০টি টিনের ঘর ছিল। আর এই ১০-১৫ বছরের ব্যবধানে এখন ১০-১৫টি কুড়েঘর অথবা গোলপাতার ঘরও নেই। এখন প্রায় সবই টিনের ঘর। শিক্ষার ক্ষেত্রে এ দ্বীপ অনেক দূর এগিয়েছে। এ বছরই এখানকার এসএসসি ও দাখিল পর্যায়ে প্রায় ৭০-৮০জন ছেলেমেয়ে উত্তীর্ন হয়েছে। সে ক্ষেত্রে আমরা মনে করি, মন্দের ভালোর মধ্যে আমরা অনেক দূর এগিয়েছি।

উপকূল বাংলাদেশ: কুকরি মুকরির প্রধান সমস্যাগুলো কী?
আবুল হাসেম মহাজন:
এখানকার প্রধান সমস্যা বাল্যবিয়ে। অল্প বয়সেই এখানে মেয়েদের বিয়ে হচ্ছে। আরেকটি সমস্যা হলো, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে লবনাক্ততা বেড়ে গেছে। জোয়ারের পানির সাথে লবনাক্ত পানি আসে। অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা মোটামুটি ভালো; তবে আরও কিছু রাস্তাঘাট ও ব্রীজ কালভার্ট হলে ভালো হয়। দেশ এগিয়ে গেলেও সেই সাথে পাল্লা দিয়ে আমরা ততটা এগোতে পারছি না। শিক্ষার ক্ষেত্রে আমরা আশানুরূপ এগোতে পারছি না। এখানে ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি জুনিয়র মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দাখিল মাদ্রাসাটি এখনও এমপিওভূক্ত হয়নি। এখানে এইচএসসি পর্যন্ত পড়াশুনার সুবিধার্থে একটি কলেজ হওয়া খুবই জরুরি। অথচ আমরা মাধ্যমিক স্তরেই পূর্নাঙ্গ কিছু করতে পারছি না। এখানে মা-বোনেরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন। এখানে ডাক্তার নেই, প্যারামেডিক ডাক্তারও নেই। এখানকার স্বাস্থ্যকেন্দ্র চলে তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারি দিয়ে। যাদের এখানে দায়িত্ব পালনের জন্য পাঠানো হয়, তারা ওপারে চলে যায়।

উপকূল বাংলাদেশ: দ্বীপ কুকরি মুকরির দুর্যোগ ঝুঁকি কতটা কমানো সম্ভব হয়েছে?
আবুল হাসেম মহাজন: দুর্যোগ ঝুঁকি বলতে যেটা বুঝি, এখনও আমরা সেই দুর্যোগ ঝুঁকিতে আছি। কিছুটা হয়তো হ্রাস পেয়েছে; তবে ঝুঁকি এখনও রয়েই গেছে। এখানে বেড়িবাঁধ নির্মিত হয়েছে। এরফলে ঘূর্ণিঝড়ের সময়কালে মানুষের সমস্যা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। তারপরও পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত করা যায়নি। সমুদ্রের মধ্যে অবস্থিত এ দ্বীপের ঝুঁকি হ্রাসে সবচেয়ে কাজ করেছে বেড়িবাঁধ ও ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট। কুকরির চারপাশে ঢাল স্বরূপ মানুষকে নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে বেড়িবাঁধ ও ম্যানগ্রোভ। দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসাবে এখানে যে পরিমাণ ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র ও মাটির কিল্লা থাকা প্রয়োজন, তা এখনও নির্মিত হয়নি।

উপকূল বাংলাদেশ: কুকরিতে জলবায়ু পরিবর্তনের কী প্রভাব পড়ছে?
আবুল হাসেম মহাজন: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ইতিমধ্যে এখানে দৃশ্যমান। ৫-১০ বছর আগে এ এলাকায় যে লবনাক্ততা ছিল, সেটা এখন অনেকগুন বেড়ে গেছে। সমুদ্রের পৃষ্ঠদেশ উঁচু হয়েছে বলে আমরা লক্ষ্য করছি। অমাবশ্যা, পূর্ণিমার স্বাভাবিক জোয়ারের পানি অনেক বেড়েছে আগের চেয়ে। বসতি, ফসলি এলাকায় জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে। আগের বছরগুলোর তূলনায় দিন দিন পানির স্তর বেড়ে যাচ্ছে বলে আমাদের মনে হয়। আমরা মনে করি, এটা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পাশ্ববর্তী দ্বীপ ইউনিয়ন ঢালচর নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে চরফ্যাসনের মানচিত্র থেকে। সেখানে নদীভাঙণ বেড়েছে তীব্র আকারে। এটাও জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব বলে আমরা মনে করি। কুকরির দক্ষিণ-পশ্চিমে সোনারচর নামে দৃষ্টিনন্দন একটি সৈকত ছিল। গত দু’বছরে ওই সৈকত ভেঙে গেছে। দক্ষিণে শিবচর নামের একটি চর ছিল, সেখানে ছিল ঘন বাগান। জেলেরা সেখানে আশ্রয় নিত। কিন্তু তারা খবর দিয়েছে, শিবচরে এখন আর আশ্রয় নেওয়ার মত অবস্থা নেই। এগুলো সবই আসলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবেই হয়েছে বলে আমাদের ধারণা।

উপকূল বাংলাদেশ: কুকরি মুকরির সম্ভাবনা কী?
আবুল হাসেম মহাজন: সম্ভাবনার ক্ষেত্রে এখানে পর্যটন বিকাশের সম্ভাবনাই সবচেয়ে বড়। পর্যটন শিল্প বিকাশ করার ক্ষেত্রে কুকরিকে মূল কেন্দ্র করে পাশ্ববর্তী ঢালচরের তারুয়া সৈকত, দক্ষিণ-পশ্চিমের সোনারচর সৈকত ঘিরে সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করা যেতে পারে। পর্যটকদের যাতায়াত এবং আবাসনের ব্যবস্থা করতে পারলে পর্যটন শিল্পের আরও বিকাশ ঘটতে পারে। ইতিমধ্যে কুকরিতে থ্রিস্টার মানের একটি রেস্টহাউস নির্মিত হয়েছে। পর্যটন কর্পোরেশন এখানে কিছু জমি অধিগ্রহন করার প্রক্রিয়া চলছে। এভাবে যোগাযোগ, আবাসন, ইত্যাদির ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হলে পর্যটন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মধ্যে কুকরি এক সম্ভাবনাময়ী অঞ্চল হিসাবে গড়ে উঠবে। এ বিষয়ে ভোলা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব-এর ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা ক্যাবল কারের মাধ্যমে পর্যটকদের আরও ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করতে চাই। কুকরির রাস্তাঘাট উন্নয়নের কাজ চলছে। বাগানের ভেতর দিয়ে নদীর পাড় পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তার কাজ চলছে। এ কাজ সম্পন্ন হলে চরফ্যাসনের মূল ভ‚-খন্ড থেকে কুকরি আসতে নদীপথে মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লাগবে। এই কাজগুলো হলে পর্যটকেরা খুব সাচ্ছন্দে অল্প সময়ে কুকরিতে আসতে পারবেন। আগামী দিনগুলোতে কুকরিতে পর্যটন শিল্পের ব্যাপক বিকাশ ঘটবে। এখানে পর্যটনের ক্ষেত্রে বিরাট বিপ্লব ঘটবে।

বরিশালের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার গোলাম মোস্তফা সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন কুকরী মুকরী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজনের হাতে

উপকূল বাংলাদেশ: বিগত ১০-১৫ বছরে কুকরির অগ্রগতি কতটা হয়েছে?
আবুল হাসেম মহাজন: এখানে শান্তিপূর্ন রাজনৈতিক সহাবস্থানের পরিবেশ সৃষ্টি করেছি। সৌহার্দ্য সম্প্রীতি বজায় রাখার মধ্যদিয়ে দ্বীপের মানুষগুলোকে আমরা একই সূতোয় গেঁথে রাখতে পেরেছি। কুকরির যে উন্নয়ন, তা গত দশ বছরের মধ্যেই হয়েছে। এর আগে এখানে কোন উন্নয়ন হয়নি। এখানে এক ইঞ্চি পাকা রাস্তা ছিল না। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর কুকরির দক্ষিণে মনুরা থেকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার রাস্তা পাকা হয়েছে। এখন বিভিন্ন দিকের রাস্তা পাকার কাজ চলছে। কুকরির চারিদিকে নির্মিত হয়েছে বেড়িবাঁধ। বিলাসবহুল রেষ্টহাউস নির্মিত হয়েছে। দু’টো মাটির কিল্লা নির্মিত হয়েছে। এখানকার উন্নয়ন এখন চোখে দেখা যায়, সবই দৃশ্যমান। এগুলো সবই হয়েছে এই সরকারের আমলে। দশ বছর আগের কুকরি এবং বর্তমান কুকরির মধ্যে অনেক ফারাক।

উপকূল বাংলাদেশ: কুকরিকে নিয়ে আগামীদিনে কী স্বপ্ন দেখেন?
আবুল হাসেম মহাজন: ছোট্ট একটি দ্বীপ কুকরি। একে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখি। এখানকার মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো আমার প্রধান লক্ষ্য।

উপকূল বাংলাদেশ: সে স্বপ্ন পূরণে কী পরিকল্পনা রয়েছে?
আবুল হাসেম মহাজন: এখানে ইপিজেড করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে। জাহাজ শিল্প স্থাপনে সরকার ৫০০ একর জমির চাহিদা দিয়েছে। আমরা সে জমি দেয়ার চেষ্টা করছি। এরই মধ্যে ভোলা জেলা প্রশাসক সাইট ভিজিট করেছেন। এখানে জাহাজ শিল্প কারখানা হলে এখানকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে; বেকারত্ব দূর হবে। সেইসঙ্গে আর্থ সামাজিক উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। কুকরি মুকরিকে শিক্ষার ক্ষেত্রে এগিয়ে নিতে এখানে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা রয়েছে আমার; যাতে এসএসসি সম্পন্ন করে ছেলেমেয়েরা এখানেই এইচএসসি পড়তে পারে। মেয়েরা যাতে লেখাপড়া অব্যাহত রাখতে পারে; সেই স্বপ্ন আমার রয়েছে। আগামী দিনে আমার সবচেয়ে বড় টার্গেট হচ্ছে, দেশ ও বিশে^র মাঝে এখানকার পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো। সে ক্ষেত্রে আমাদের সরকারের মন্ত্রী মহোদয়ের পরিকল্পনা রয়েছে, ক্যাবল কার থেকে শুরু করে আরও হোটেল-মোটেল এবং বিভিন্ন রাইডস স্থাপনের মাধ্যমে কুকরিকে দৃষ্টিনন্দন করা। এরফলে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবো। আমি চেয়ারম্যান হওয়ার আগে এই অঞ্চলে একটি মোটরবাইক ছিল। আজকে এখানে প্রায় ৩০/৪০টি মোটরবাইক আছে। অটো চলছে, কাঁকড়া ট্রলি চলছে। আমি আশাকরি, কুকরি এক সময় উপশহর হবে এবং পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত হবে। এখানকার মানুষের অবস্থা বদলাবে, কাজ পাবে। এখানে উন্নতমানের নৌযান চালু হবে, তাতেও এখানকার মানুষ কাজ করবে। এক সময় উর্ধ্বতন মহলের কেউ কুকরি আসতে চাইলে ভোলার ভেদুরিয়া থেকে স্পীডবোট ভাড়া আনতে হতো। এখন এখানেই স্পীডবোট চলে। প্রথমে আমি ৫০ ভাগ টাকা বিনিয়োগ করে একজন চালককে দিয়ে স্পীডবোট চালু করি। লক্ষ্য ছিল, মানুষের জরুরি যাতায়াত এবং মুমূর্ষু রোগীদের যথাসময়ে ডাক্তারের কাছে পৌঁছানো। এখন কুকরি-কচ্ছপিয়া লাইসে ১০-১২টি স্পীডবোট চলে। শিক্ষা-স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আমি আরও অনেক উন্নয়ন চাই। কোন প্রাইভেট সেক্টরের সহায়তা পেলে এখানকার মানুষগুলোর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারতাম। একবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। প্রতিশ্রুতিও পাওয়া গিয়েছিল সেখান থেকে। কিন্তু পরবর্তীতে আর হয়নি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতকে বিকশিত করে কুকরি মুকরিকে আমি আরও আধুনিক জনপদে রূপান্তরিত করতে চাই।

//উপকূল বাংলাদেশ/১২০৭২০১৮//


এ বিভাগের আরো খবর...
বরগুনায় বাণিজ্যিক সূর্যমুখী চাষে লাভবান কৃষক বরগুনায় বাণিজ্যিক সূর্যমুখী চাষে লাভবান কৃষক
পাইকগাছার পড়ুয়ারাদের প্রকৃতিপাঠ, সবুজে গড়ছে জীবন পাইকগাছার পড়ুয়ারাদের প্রকৃতিপাঠ, সবুজে গড়ছে জীবন
উপকূলের উদীয়মান সংবাদকর্মী ছোটন সাহা’র ছুটে চলার গল্প উপকূলের উদীয়মান সংবাদকর্মী ছোটন সাহা’র ছুটে চলার গল্প
কমলনগরে পড়ুয়াদের সবুজ জগত, অনুপ্রেরণায় ‘সবুজ উপকূল’ কমলনগরে পড়ুয়াদের সবুজ জগত, অনুপ্রেরণায় ‘সবুজ উপকূল’
শ্যামনগরে পড়ুয়ারা গড়ে তুলেছে পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন শ্যামনগরে পড়ুয়ারা গড়ে তুলেছে পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন
জনতার প্রিয় মানুষ এমপি মুকুল জনতার প্রিয় মানুষ এমপি মুকুল
একুশে বইমেলায় সাংবাদিক ছোটন সাহার ‘মেঘের আঁধারে’ একুশে বইমেলায় সাংবাদিক ছোটন সাহার ‘মেঘের আঁধারে’
‘সমৃদ্ধশালী মডেল ঢালচর গড়তে চাই’ : আবদুস সালাম হাওলাদার ‘সমৃদ্ধশালী মডেল ঢালচর গড়তে চাই’ : আবদুস সালাম হাওলাদার
কুয়াকাটায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সাংবাদিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত কুয়াকাটায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সাংবাদিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত

‘কুকরির জনারণ্যে সম্প্রীতির সুবাতাস’ -আবুল হাসেম মহাজন
(সংবাদটি ভালো লাগলে কিংবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।)
tweet

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)