৫০ শয্যার জনবল দিয়ে ১০০ শয্যা!

- হাসান মাহমুদ শাকিল

হাসপাতালে অভ্যন্তরের চিত্র

লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুরে প্রায় ১৮ লাখ মানুষের বসবাস। উপকূলীয় এ জেলার অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র। এ জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবায় লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল একমাত্র ভরসা। কিন্তু চিকিৎসক ও নার্স সংকটে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। সেবা বঞ্চিত হচ্ছে এ জনপদের দরিদ্র জনগোষ্ঠী।

১৩ বছর আগে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নিত হয়। কিন্তু ৫০ শয্যার লোকবল দিয়েই চলছে ১০০ শয্যার কার্যক্রম। হাসপাতালে ১৫০টি পদের মধ্যে ৭৯টি পদই শূন্য। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসা থেকে বাঞ্চিত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।

সরেজমিন লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, ১০০ শয্যার স্থলে ২শ’ থেকে ২৫০ রোগী হাসপাতালে ভর্তি। যে কারণে অতিরিক্ত রোগীদের মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। হাসপাতালটিতে সরকার থেকে ১০০ শয্যার রোগীদের জন্য খাবার দেয়া হয়। অতিরিক্ত ভর্তি হওয়া রোগীরা হয় খাবার বঞ্চিত।

হাসপাতালে ভর্তি কলেজ ছাত্র সোহেলসহ কয়েকজন রোগী জানান, রোগীর তুলনায় চিকিৎসক কম থাকায় যথাসময়ে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। খাবারও পাচ্ছি না।

হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালে হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নিত হলেও ডাক্তার, নার্স, এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী বাড়ানো হয়নি। ৫০ শয্যার ডাক্তার, কর্মকর্তা ও কর্মচারী দিয়েই চিকিৎসা সেবা চলছে। ১০০ শয্যায় উন্নীত’র ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও হাসপাতালটি চলছে ৫০ শয্যার লোকবল দিয়ে। এতে রোগীদের সঠিক সময়ে চিকিৎসা সেবা দেয়া যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ১৫০ জন কর্মচারী-কর্মকর্তা থাকার কথা থাকলেও কর্মরত রয়েছেন ৭১ জন। ৭৯ টি পদই শূন্য রয়েছে। এখানে ১ম শ্রেণির ডাক্তার ৪২ জনের পরিবর্তে কর্মরত রয়েছেন ১৪জন। এতে ২৮টি পদই শূন্য রয়েছে। ৪০ জন নার্সের পরিবর্তে কর্মরত রয়েছেন ২৭জন। এতে শূন্য পদ রয়েছে ১৩টি। ৩য় শ্রেণির বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২৬জনের পদ থাকলেও কর্মরত রয়েছেন ১৫ জন। বাকি ১১টি পদই শূন্য। চিকিৎসক ও নার্সসহ জনবল সংকটের কারণে গরীব-অসহায় রোগীরা হাসপাতালে এসে চিকিৎসা না নিয়েই চলে যেতে হয়।

নার্স কুসুম আক্তার বলেন, অতিরিক্ত রোগী ভর্তি এবং অধিকাংশ পদ শূন্য থাকায় প্রতিনিয়ত রোগীদের সেবা করতে আমাদের হিমশিম খেতে হয়।

সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফা খালেদ আহম্মেদ বলেন, চিকিৎসক ও নার্সসহ বিভিন্ন জনবল সংকট বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তপক্ষকে জানানো হয়েছে।

//প্রতিবেদন/০৫১২২০১৬//


এ বিভাগের আরো খবর...
আসুন, ১২ নভেম্বর ‘উপকূল দিবস’ পালন করি আসুন, ১২ নভেম্বর ‘উপকূল দিবস’ পালন করি
বরগুনার তালতলীতে লাউপাড়া স্কুলে দেয়াল পত্রিকা ‘বেলাভূমি’ প্রকাশিত বরগুনার তালতলীতে লাউপাড়া স্কুলে দেয়াল পত্রিকা ‘বেলাভূমি’ প্রকাশিত
টেংরাগিরি সংরক্ষিত বন পর্যবেক্ষন করলো বরগুনার লাউপাড়া স্কুলের পড়ুয়ারা টেংরাগিরি সংরক্ষিত বন পর্যবেক্ষন করলো বরগুনার লাউপাড়া স্কুলের পড়ুয়ারা
শরণখোলার ধানসাগরে উৎসবমূখর পরিবেশে ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত শরণখোলার ধানসাগরে উৎসবমূখর পরিবেশে ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
ফেনীর সোনাগাজীতে উৎসবমূখর পরিবেশে ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ফেনীর সোনাগাজীতে উৎসবমূখর পরিবেশে ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে উৎসবমূখর পরিবেশে ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে উৎসবমূখর পরিবেশে ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
চাঁদপুরের হাইমচরে সবুজের আহবানের ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চাঁদপুরের হাইমচরে সবুজের আহবানের ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
ভোলার তজুমদ্দিনে উৎসবমূখর পরিবেশে ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ভোলার তজুমদ্দিনে উৎসবমূখর পরিবেশে ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
ভোলার তজুমদ্দিনে উৎসবমূখর পরিবেশে ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ভোলার তজুমদ্দিনে উৎসবমূখর পরিবেশে ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
সবুজ সুরক্ষার আহ্বানে চরফ্যাসনে ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সবুজ সুরক্ষার আহ্বানে চরফ্যাসনে ‘সবুজ উপকূল’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

৫০ শয্যার জনবল দিয়ে ১০০ শয্যা!
(সংবাদটি ভালো লাগলে কিংবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।)
tweet

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)