প্রবল ঢেউয়ের তান্ডবে ভাঙছে উপকূল

- কাজী সাঈদ

ঢেউয়ের তান্ডবে ভাঙছে উপকূল

কুয়াকাটা : জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে সমুদ্র, নদ-নদীতে জোয়ারের পানি। যার ফলে বঙ্গোপসাগরে বিশাল বিশাল ঢেউ উপচে পড়ছে উপকূলের বেলাভূমিতে। ভাঙ্গছে উপকূল রক্ষা বেড়িবাঁধ ও সংরক্ষিত বনাঞ্চল। নষ্ট হচ্ছে হাজার হাজার একর আবাদি জমি। সমুদ্রের সীমানা বৃদ্ধির কারণে কমছে স্থলভাগ। বদলে যাচ্ছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের গোটা উপকূলের মানচিত্র। সমুদ্রে জোয়ারের পানির বৃদ্ধি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপর্যস্ত হচ্ছে প্রকৃতিও। ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বসত বাড়ি হারিয়ে লক্ষাধিক মানুষ গৃহহারা হওয়ার আশংকা করেছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো।

সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটাসহ উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন স্পষ্ট। পানির স্তর বৃদ্ধির ফলে উপকূলীয় এলাকায় লবনাক্ততা মাত্রাতিরিক্ত বাড়ছে। স্রোত পরিবর্তন হচ্ছে। সৃষ্টি হচ্ছে ঘণ ঘণ সামুদ্রিক দুর্যোগ। চরম হুমকির সন্মুখীন হয়ে পড়েছে উপকূলীয় জনপদ। নানা উদ্যোগেও উপকূলের ভাঙ্গন রোধ করা যাচ্ছে না। সমুদ্রের পানি ফুলে ফেঁপে ক্রমশই চলে আসছে লোকালয়ে।

প্রতি বছর বঙ্গোপসাগরে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ঝড় জলোচ্ছ্বাসের কারণে ঢেউয়ের তান্ডবও বেড়ে যাচ্ছে। এসব ঢেউ কেড়ে নিচ্ছে উপকূলীয় এলাকার হাজার হাজার একর ফসলি জমি। সমুদ্রের অব্যাহত ভাঙ্গনে ক্রমেই শ্রীহীন হয়ে পড়ছে অপরূপ সৌন্দার্যের বেলাভূমি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। অব্যাহত ভাঙ্গনের কারণে ৪ কিলোমিটারের প্রশস্ত সৈকত এখন সংঙ্কোচিত হয়ে এমন হয়েছে যে, জোঁয়ারের সময় পর্যটকরা সৈকতের বেলাভূমিতে নামতে পারছে না। ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষার জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। এতে করে কুয়াকাটা সৈকতটি এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে এমনটাই দাবি করেছেন ঢেউয়ের টানে ভ্রমনে আসা দেশি-বিদেশী পর্যটকরা।

ঢাকার যাত্রা বাড়ি থেকে ভ্রমনে আসা রফিকুল ইসলাম রাজু ও আয়শা জান্নাতি পর্যটক দম্পত্তি’র সাথে কথা হয়। তাদের মতে, পাঁচ বছর আগের সাজানো গোছানো কুয়াকাটা আজ অনেকটা শ্রীহীন দেখলাম। দেশের গৌরবময় সমুদ্র সৈকতটি দেখে মনে হচ্ছে দিন দিন অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। পর্যটন শিল্পকে রক্ষা করতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভাঙ্গন রোধে সরকারকে পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে রয়েছে ব্যাপক সম্ভাবনার হাতছানি। অপার এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার গ্রহন করেছে নানা পরিকল্পনা। এরই মধ্যে ২০১৬ সালকে সরকারের তরফ থেকে পর্যটনবর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা অন্যতম একটি পর্যটন কেন্দ্র। ইতোমধ্যেই বিশ্বব্যাপী সুখ্যাতি অর্জন করেছে সাগরকন্যা কুয়াকাটা। বালুক্ষয় রোধ করা না গেলে সম্ভাবনার আশা জাগানো একটি সমুদ্র সৈকত তথা পর্যটন শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে বলে দাবি করেছেন বিশিষ্টজনরা।

এ বিষয়ে কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রী কলেজের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক এম জাকির হোসাইন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি ও প্রচন্ড ঢেউয়ের তান্ডবে উপকূলীয় এলাকার বেড়িবাঁধ ভাঙ্গন অব্যহত রয়েছে। এভাবে ভাঙ্গন অব্যহত থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে লক্ষাধিক মানুষ গৃহহীন এবং হাজার হাজার একর ফসলি জমি সমুদ্র গর্ভে বিলিন হওয়ার আশংকা রয়েছে। তাই উপকূল রক্ষার জন্য সরকারকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাঙ্গন রোধের উদ্যোগ নিতে হবে।

পানির স্তর বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গোপসাগরে মৌসুমী ঝড়ের হারও বেড়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১৯৯১ সাল থেকে ২০০০ সালের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে ২০টি নিন্মচাপ হয়েছে। এ সকল নিন্মচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় হয়েছে ১২ টি। অথচ এর পরের ১০ বছরে অর্থাৎ ২০০১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে ৩৯টি নিন্মচাপ হয়েছে। আর এ থেকে ঘূর্ণিঝড় হয়েছে ছয়টি। এর মধ্যে ২০০৯ সাল ছিল সবচেয়ে দুর্যোগপূর্ণ বছর। ওই বছর বঙ্গোপসাগরে নয়টি নিন্ম চাপ সৃষ্টি হয়, যার মধ্যে থেকে দু’টি প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলা সৃষ্টি হয়েছে। এ দু’টি ঘূর্ণিঝড় উপকূলের জনজীবন বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। যে ক্ষতি আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি উপকূলবাসী।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের উপাত্ত অনুযায়ি দুই-তিন দশক আগে যেখানে জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে নবেম্বরের ১৫ তারিখের মধ্যে চার থেকে পাঁচটি “তিন নম্বর সতর্ক সংকেত” জারি করার মতো নিন্মচাপ তৈরি হতো, সাম্প্রতিক বছর গুলোতে তা বেড়ে নূন্যতম ১২টিতে এসে ঠেকেছে। ২০১০ সালে এ সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ ২৫টি। এভাবে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একের পর এক ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ¡াসের কারণে বিপর্যস্ত উপকূলীয়ও জনজীবন।

১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ কুয়াকাটা সৈকতের একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার মনোরম দৃশ্য পৃথিবীতে বিরল। এ কারণে শীত, গ্রীস্ম ও বর্ষা সব ঋতুতেই দেশী-বিদেশী হাজার হাজার পর্যটকদের পদভারে মুখরিত থাকে কুয়াকাটা। কিন্তু সুপার সাইক্লোন সিডর ও আইলাসহ দফায় দফায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং সাগরের রুদ্র রোষের কারণে অব্যাহত ভাঙ্গনের কবলে হারিয়ে গেছে কুয়াকাটার মূল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এরই মধ্যে সাগর বক্ষে হারিয়ে গেছে সৈকতের সৌন্দর্য হিসাবে খ্যাত ফয়েজ মিয়ার ‘ফার্মস এন্ড ফার্মস’ এর সারি সারি নারিকেল, ঝাউ, তাল, সেগুন, কুল, লেবু, আম, পেয়ারা বাগান এবং সৈকত সংলগ্ন সওজ, পাউবো ও জেলা পরিষদের ডাকবাংলোসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা। বর্তমানে হুমকির মূখে রয়েছেন ঘাটলা জামে মসজিদ, মাদ্রাসা, দুইটি মন্দির ও বেড়িবাঁধের বাহিরে বসবাসকারী জেলে পল্লী।

কথা হয় বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)’র বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী লিংকন বায়েন’র সাথে। তিনি বলেন, এভাবে সৈকত সংলগ্ন গাছপালা সমুদ্র গর্ভে হতে থাকলে পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব পরবে। বালুক্ষয় রোধ করার জন্য সরকারের দ্রæত পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে আমি মনে করছি। তাহলে ব্যাপক সম্ভাবনাময় একটি সমুদ্র সৈকত তথা পর্যটন শিল্প রক্ষা পাবে।

এছাড়াও সৈকতের কোলঘেষা ‘কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান’ এখন পুরোপুরি হুমকির মুখে। এরই মধ্যে উদ্যানটির এক অংশ সাগর বুকে বিলীন হয়ে গেছে। ব্যক্তি মালিকানাধীন বহু হোটেল-মোটেল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অব্যাহত ভাঙনের কারণে প্রতিবছরই সৈকত সংলগ্ন বিপণি-বিতান গুলো পিছনে সরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে মালিক কর্তৃপক্ষ। এমনকি ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার জন্য তৈরি বেড়িবাঁধ ও এখন হুমকির মুখে।
এ ব্যাপারে ফয়েজ মিয়ার বাগানের বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার বলেন, আমি বহু বছর যাবৎ সমুদ্র পাড়ে বাস করি। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বসত ঘর উপরের দিকে আনতে আনতে এখন ক্লান্ত হয়ে গেছি। ঝড় বন্যা আমাদের নিত্যদিনে সঙ্গি। সাগর পাড়ে গাছপালা থাকায় বন্যার সময় বাতাসের চাপ কম লাগে। বর্তমানে যেভাবে বালুক্ষয় শুরু হয়েছে তাতে মনে হচ্ছে আর থাকা যাবে না।

কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকত ঘুরে দেখা গেছে, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য পর্যটকদের জন্য সেজে থাকা সৈকতের কয়েকটি স্পট লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। অপর দিকে সৈকত তটে থাকা ঝাউবন, নারিকেল কুঞ্জ, তালবাগান, শালবনসহ শুটঁকি পল্লী তছনছ হয়ে গেছে। সৈকত ঘেষা বনাঞ্চলের বিভিন্ন প্রজাতির শত শত গাছ উপড়ে যেখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এভাবে ভূমিক্ষয় অব্যহত থাকলে কুয়াকাটার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ভিতরে পানি প্রবেশ করে পর্যটন শিল্প বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। একদিকে পরিবেশ ভারসাম্যহীন হয়ে পড়বে অপরদিকে পর্যটক শূন্য হয়ে যাবে কুয়াকাটা এমনটাই আশংকা করেছে স্থানীয়রা। তবে বালুক্ষয় রোধের জন্য খাজুরা পয়েন্টে একটি গ্রোয়েন বাঁধ নির্মাণ করতে পারলে ঢেউয়ের তান্ডব থেকে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত রক্ষা সম্ভব হবে বলে মত দিয়েছে অনেকেই।

এ ব্যাপারে রেডক্রিসেন্ট সোসাইট’র লতাচাপলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শফিকুল আলম’র সাথে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, পশ্চিম কুয়াকাটা অথবা খাজুরা লেবুর চর এলাকায় একটি গ্রোয়েন বাঁধ নির্মাণ করলে জোয়ার ভাটার মূল স্রোত বাঁধা প্রাপ্ত হবে। ফলে স্রোতের গতি কমে গেলেই বালুক্ষয় বন্ধ করা সম্ভব হবে।

কুয়াকাটার খাজুরা এলাকার ৮০ বছরের বৃদ্ধ করিম হাওলাদারের কাছে সাগরের ভাঙ্গন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি সাগরের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘কী কমু দুঃখের কথা, এই রাক্ষস সাগর মোর জায়গা-জমি, বাড়ি-ঘর সব কিছু ভাসাইয়া লইয়া গ্যাছে। মুই এহন মাইয়া পোলা লইয়া খাইয়া না খাইয়া মানষের জাগায় ওকরাইত (পরবাসী) থাহি। প্রায় এক মাইল দক্ষিণে মোর দোতালা টিনের ঘর আছেলে হ্যা এহন সাগরের মাঝে”।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কুয়াকাটা সৈকতের পশ্চিম পান্তের খাজুরা থেকে গঙ্গামতি পর্যন্ত ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। আবার গঙ্গামতির পূর্বপাশ দিয়ে সাগর হতে রামনা বাঁধ চ্যানেলটি উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়েছে। এই চ্যানেলের উভয় কূল ভাঙ্গছে বেপরোয়াভাবে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের ৪৭/৪ নং পোল্ডারের বুড়ো জালিয়া থেকে গাজীর খাল পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার বাঁধের। প্রতি বছর পানি উন্নয়ন বোর্ড কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেও ঠেকাতে পারছে না ভাঙ্গন। সমুদ্রের পানি বৃদ্ধির কারণে শুধু কলাপাড়ায় ভাঙ্গছে না এ দৃশ্য সমগ্র উপকূলীয় এলাকার। উপকূলীয় রামনা বাঁধ চ্যানেল, আগুন মুখা, বুড়া গৌরাঙ্গ, মেঘনা, তেতুলিয়া, পায়রা, বলেশ্বর, পশুর চ্যানেল, বিষখালী নদীসহ সাগর সংলগ্ন এলাকার ভাঙ্গনের তীব্রতা দেখা দিয়েছে। ফলে কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, ধানখালী, চম্পাপুর, লতাচাপলী, মহিপুর, নীলগঞ্জ ইউনিয়নসহ সমগ্র উপকূলের প্রায় লক্ষাধিক পরিবার বসতবাড়ি হারাতে বসেছে। মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে হাজার হাজার এক আবাদী জমি। উপকূলের কোথাও কোথাও বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে দেখা দিয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা। বহু মানুষ বাড়ি ঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে অন্যত্র।

কুয়াকাটার পৌরসভার মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লা জানান, সাগরের অব্যাহত ঢেউয়ে প্রচুর বালু ক্ষয় হচ্ছে। এখন স্থানীয় দোকানদার ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু বালু ভর্তি বস্তা ফেলে ভাঙ্গন রক্ষার চেষ্টা করছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে ২/১ দিনের সৈকতে ছড়ানো ছিটানো ব্লকগুলো সংগ্রহ করে পর্যটকদের যাতায়াত পথে ফালানো হবে। এত করে মোটামুটি চলাচলসহ জিরো পয়েন্ট রক্ষা পাবে। ভাঙন রক্ষা একটা ব্যাপক কাজ, আমাদের একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। তবে এ বিষযটি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানান হয়েছে। কুয়াকাটা সী-বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য-সচিব কুয়াকাটা পর্যটন হলিডে হোমস’র ব্যবস্থাপক মোতাহার হোসেন বলেন, কমিটির সভাপতি হচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। তার নির্দেশনার বাইরে আমার কিছুই করার নেই।

এ ব্যাপারে কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের জানান, কুয়াকাটার বীচ রক্ষায় একটি ডিজাইন করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পাঁচ কিলোমিটার এরিয়ায় এ ডিজাইনের কাজ পরীক্ষামূলকভাবে করা হবে।

//প্রতিবেদন/উপকূল বাংলাদেশ/২৫০৮২০১৬//


এ বিভাগের আরো খবর...
পর্যটকের ভিড় বাড়ছে লক্ষ্মীপুরের মতিরহাট মেঘনাতীরে পর্যটকের ভিড় বাড়ছে লক্ষ্মীপুরের মতিরহাট মেঘনাতীরে
আলোকযাত্রা দলের উদ্যোগে হাসি ফুটলো কমলনগরের মেঘনাপাড়ের শিশুদের মুখে আলোকযাত্রা দলের উদ্যোগে হাসি ফুটলো কমলনগরের মেঘনাপাড়ের শিশুদের মুখে
‘সবুজ উপকূল’ বদলে দিচ্ছে উপকূলের পরিবেশ ‘সবুজ উপকূল’ বদলে দিচ্ছে উপকূলের পরিবেশ
পাইকগাছায় আলোকযাত্রা দলের উদ্যোগে বিশ্ব বাবা দিবস পালিত পাইকগাছায় আলোকযাত্রা দলের উদ্যোগে বিশ্ব বাবা দিবস পালিত
অভিনয়ের মাঝেই বেঁচে থাকতে চাই | আজম খান অভিনয়ের মাঝেই বেঁচে থাকতে চাই | আজম খান
ঈদের ৪ টেলিফিল্ম, ৩ নাটকে আজম খান ঈদের ৪ টেলিফিল্ম, ৩ নাটকে আজম খান
ওরা সুযোগ চায়, আলোকিত মানুষ হতে চায়! ওরা সুযোগ চায়, আলোকিত মানুষ হতে চায়!
মিজানের বাঁচার আকুতি! মিজানের বাঁচার আকুতি!
হাতিয়া ভাঙ্গন | তামজিদ উদ্দীন হাতিয়া ভাঙ্গন | তামজিদ উদ্দীন
উপকূল সুরক্ষায় ১২ জরুরি বিষয়ে নজর দিন উপকূল সুরক্ষায় ১২ জরুরি বিষয়ে নজর দিন

প্রবল ঢেউয়ের তান্ডবে ভাঙছে উপকূল
(সংবাদটি ভালো লাগলে কিংবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।)
tweet

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)