‘শিক্ষার মান উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন’

সাফিয়া খাতুনদ্বীপ জেলা ভোলার আবদুর রব স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাফিয়া খাতুন এবার জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মনে করেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। নিয়মিত ক্লাস মনিটরিং, শ্রেনী শিক্ষকদের পাঠদানে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমের পাশাপাশি সি.সি ক্যামেরা স্থাপন ও কো-কারিকুলাম এক্টিভিটিসে পারদর্শি করে তোলার ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি। উপকূল বাংলাদেশ-এর সঙ্গে সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন আরও অনেক কথা। সাক্ষাতকারের পূর্ন বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো।

জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় আপনার অনুভূতি কী?
আমি অভিভূত, যে কোন স্বীকৃতিই মানুষের জন্য আনন্দের। এতে কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দেয়। শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পেরে আমি যেমনি খুশি তেমনি আমার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি, অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও আনন্দিত।

শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হওয়ার মানদন্ড কী ছিল, মানে কেন আপনাকে কিসের ভিত্তিতে এই সম্মান দেয়া হল?
আমি এই প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর থেকেই আমার লক্ষ্য ছিলো স্কুলে একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, সেই লক্ষেই শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি, যা শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সহযোগীতা করেছে’। আমি বরারবই কাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং অধ্যাবশায়ী। এক কথায় আজকের কাজ আজকেই শেষ করার চেষ্টা করেছি।

আপনার বিদ্যালয়টি সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে কী কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, সংক্ষেপে বলুন
নিয়মিত ক্লাস মনিটরিং, শ্রেনী শিক্ষকদের পাঠদানে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমের পাশাপাশি সি.সি ক্যামেরা স্থাপন ও কো-কারিকুলাম এক্টিভিটিসে পারদর্শি করে তোলা’। ভালো ক্লাসের জন্য শিক্ষকদের প্রশংসা করে তাদের উৎসাহিত করা।

আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়তে কোন কোন দিকে নজর দেয়া উচিত?
একাডেমীক শ্রেনী পাঠদানকে ফলপ্রুসু করে শিক্ষকদেরকে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ ও যোগ্য করে তোলা। দুর্বল ছাত্রদের চিহ্নিত করে বহুভাগে বিভক্ত করে গুরপ্তের সহিত পাঠদান দেয়া।

বিদ্যালয় পরিচালনায় বাঁধাসমূহ কী কী?
ভোলা শহরে দুটি সরকারি বিদ্যালয় থাকায় ওই সব প্রতিষ্ঠানে ডাবল সিপ্ট করায় শিক্ষার্থীদের সেখানেই পড়ার প্রতি আগ্রহ থাকে। দেখা যায়, ওই প্রতিষ্ঠানে প্রতিযোগীতায় না টিকে অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী শিক্ষার্থীরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়। আমরা তাদের পাঠদানের মাধ্যমে যোগ্য হিসাবে গড়ে তুলছি। এছাড়া নানা প্রতিকূতলার মধ্যে পড়তে হয়, যা শিক্ষার পরিবেশ কিছুটা বিঘ্নিত ঘটে। তারপরেও আমরা শিক্ষক ও অভিভাবকদের সুচিন্তিত মতামত নিয়ে সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনর চেষ্টা করছি।

আপনার বিদ্যালয় নিয়ে আপনার কী স্বপ্ন আছে?
আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করে ভালো রেজাল্টের পাশাপাশি নীতিগতভাবে একজন আদর্শ  মানুষ হয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে।

ভোলা জেলার সকল বিদ্যালয় প্রখানের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন।
জেলায় যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন তারা নি:সন্দেহে যোগ্য মানুষ। তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে। ভালো কিছু করতে হলে সকলের সহযোগীতার প্রয়োজন রয়েছে। আমি যেমনি সকলের সহযোগীতা পাচ্ছি ঠিক তেমনি অন্যরাও সকলের সহযোগীতা পাবেন বলে আমি মনে করি।

//সাক্ষাতকার/উপকূল বাংলাদেশ/২০০৫২০১৬//


এ বিভাগের আরো খবর...
‘কুকরির জনারণ্যে সম্প্রীতির সুবাতাস’ -আবুল হাসেম মহাজন ‘কুকরির জনারণ্যে সম্প্রীতির সুবাতাস’ -আবুল হাসেম মহাজন
বরগুনায় বাণিজ্যিক সূর্যমুখী চাষে লাভবান কৃষক বরগুনায় বাণিজ্যিক সূর্যমুখী চাষে লাভবান কৃষক
পাইকগাছার পড়ুয়ারাদের প্রকৃতিপাঠ, সবুজে গড়ছে জীবন পাইকগাছার পড়ুয়ারাদের প্রকৃতিপাঠ, সবুজে গড়ছে জীবন
উপকূলের উদীয়মান সংবাদকর্মী ছোটন সাহা’র ছুটে চলার গল্প উপকূলের উদীয়মান সংবাদকর্মী ছোটন সাহা’র ছুটে চলার গল্প
কমলনগরে পড়ুয়াদের সবুজ জগত, অনুপ্রেরণায় ‘সবুজ উপকূল’ কমলনগরে পড়ুয়াদের সবুজ জগত, অনুপ্রেরণায় ‘সবুজ উপকূল’
শ্যামনগরে পড়ুয়ারা গড়ে তুলেছে পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন শ্যামনগরে পড়ুয়ারা গড়ে তুলেছে পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন
জনতার প্রিয় মানুষ এমপি মুকুল জনতার প্রিয় মানুষ এমপি মুকুল
একুশে বইমেলায় সাংবাদিক ছোটন সাহার ‘মেঘের আঁধারে’ একুশে বইমেলায় সাংবাদিক ছোটন সাহার ‘মেঘের আঁধারে’
‘সমৃদ্ধশালী মডেল ঢালচর গড়তে চাই’ : আবদুস সালাম হাওলাদার ‘সমৃদ্ধশালী মডেল ঢালচর গড়তে চাই’ : আবদুস সালাম হাওলাদার
কুয়াকাটায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সাংবাদিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত কুয়াকাটায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সাংবাদিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত

‘শিক্ষার মান উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন’
(সংবাদটি ভালো লাগলে কিংবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।)
tweet

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)