বিশেষ ক্রোড়পত্র | সেপ্টেম্বর ১, ২০১৪ | ঢাকা থেকে প্রকাশিত

জলবায়ু পরিবর্তন

উপকূলীয় বেড়িবাধ ভেঙ্গে সাগরের পানি এলাকায় ঢুকে পড়ায় প্রতিবছর উপকূলীয় এলাকা থেকে গড়ে ৭-১০টি পরিবার অন্যত্র চলে যাচ্ছে। ভিটে বাড়ি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তু হিসেবে এসব পরিবার উপজেলা সদর সংলগ্ন রাস্তার পাশে, চট্টগ্রাম মহানগরী অথবা কক্সবাজার শহরে অবস্থান নিচ্ছে।

  1. জলবায়ু তহবিলে পুনর্বাসন হচ্ছে না, নি:স্ব মানুষেরা ঠিকানাহীন!জলবায়ু তহবিলে পুনর্বাসন হচ্ছে না, নি:স্ব মানুষেরা ঠিকানাহীন! প্রবাল বড়ুয়া, চট্টগ্রাম ●  বৃহত্তর চট্টগ্রামের দুইশত কিলোমিটার উপকূলের শতাধিক স্থানে ব্যাপক ভাঙ্গন দেয়া দিয়েছে। জলবায়ু অভিযোজন তহবিলের হাজার কোটি টাকা থাকলেও উপকূল রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর বা পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে সূদুর প্রসারী কোন পরিকল্পনা নেয়া হয়নি। উপকূল অরক্ষিত থাকায় সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হলেই কক্সাবাজার ও চট্টগ্রামের নয় উপজেলার অনেক গ্রাম সাগরের পানিতে ডুবে যায়। চট্টগ্রাম মহানগরীর উপকূলীয় চার ওয়ার্ডের মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ইপসা’র  এক সমীক্ষায় দেখা যায়, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, চকরিয়া চট্টগ্রামের বাঁশখালী, আনোয়ারা এলাকা থেকে প্রতিবছর গড়ে ১০ হাজার মানুষ জলবায়ু স্থানচ্যুতির শিকার হচ্ছে।
  2. ‘কন, কয়দিন আর এরহম নোনা জল খাইয়ে বাঁচপো?’‘কন, কয়দিন আর এরহম নোনা জল খাইয়ে বাঁচপো?’ প্রবীর বিশ্বাস, খুলনা ● ‘কন কয়দিন আর এরহম নোনা জল খাইয়ে বাঁচপো। এই যে সেই সকালে আমি এক গ্লাস জল খাইয়ে বরোইছি আর দুপুরে এক গ্লাস খাবো। এহন কেউ চাল ধার দিতে চালিও জল ধার দিতে চায় না’খুলনার দাকোপের সুতারখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা মানষ মন্ডলের এই কথা থেকেই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খাবার পানির তীব্র সংকটের চিত্র ফুটে ওঠে।প্রায় কাঁদতে কাঁদতেই কথাগুলো বলার সময় তিনি জানাচ্ছিলেন ছেলে-মাইয়েরা নিরুপায় হয়ে নদীর নোনা জল খাচ্ছে। কেউ কেউ আবার জলের তৃষ্ণা সহ্য করতে না পেরে নৌকায় যেয়ে নদী দিয়ে যাওয়া বার্জ বা স্টিমার থেকে চেয়ে মাঝে মাঝে জলের জোগার করছে। তিনি জানান, আইলা দুর্গত এলাকায় সরকার ও কিছু এনজিও খাবার পানির ব্যবস্থা করলেও চাহিদার তুলনায় তা অনেক কম।
  • জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের টাকায় খাল খননে চলছে হরিলুটজলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের টাকায় খাল খননে চলছে হরিলুট মেজবাহউদ্দিন, কলাপাড়া, পটুয়াখালী ● কলাপাড়ায় পাউবোর অধীনে জলবায়ূ ট্রাস্ট ফান্ডের উদ্যোগে খাল পুনর্খননের নামে চলছে হরিলুট। নামকাওয়াস্তে খালের দুইপাড় থেকে কিছু মাটি ছেচে কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হচ্ছে। ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা খরচ হয়ে গেলেও মানুষের কোন কাজে আসছে না। সরকারের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।এছাড়া এই দুর্নীতির কারনে সরকারের ভাবমূর্তিও চরমভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে। পাশাপাশি আগামী সংসদ নির্বাচনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে চরমভাবে। দিতে হবে ভোটের হিসাবে চরম খেসারত। মাঝখান দিয়ে পাউবোর কর্মকর্তা
  • এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররা হাতিয়ে নেবে কোটি টাকা। খবর সরেজিমন অনুসন্ধানসহ বিভিন্ন সুত্রের। কলাপাড়ায় গ্রামের বিভিন্ন জনপদে খাল খননের বিষয়টি সর্বত্র আলোচিত হচ্ছে। কারণ বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই খাল খননের নামে পুরনো খালের দুইপাড়ের মাটি ছেঁচে পানিতে ডুবিয়ে দেয়া হয়েছে। কোন ধরনের মাপজোক ছাড়াই আবার এর বিলও পরিশোধ করা হচ্ছে। কৃষকের কৃষিকাজের সুবিধার্থে পানি নিষ্কাশনের নামে এই খাল খননের উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। বরং খাল খননের নামে দুর্নীতির বিষয়টি এখন কলাপাড়ায় আলোচনার নতুন একটি বিষয়ে পরিণত হয়েছে।পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র বলছে, জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের মাধ্যমে কৃষিকাজের স্বার্থে ৪০ টি খাল পুনর্খননের কাজ শুরু করা হয় ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসের শেষের দিকে। প্রায় ৬৩ কিলোমিটার খাল পুনর্খনন করার পদক্ষেপ নেয়া হয়। পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খাল পুনর্খননের কাজ করছে।
  • এতে ব্যয় বরাদ্দ রয়েছে আট কোটি টাকা।
  • মাঠ ঘুরে দেয়া যায়, এসব খালের সীমানা নির্ধারণ না করেই শুরু করা হয় পুনর্খনন কাজ। নামে মাত্র দুইপাড়ের মাটি কিংবা জঙ্গল সাফ করে খনন দেখানো হচ্ছে। এমন হয়েছে যে চাকামইয়া ইউনিয়নের নিশান বাড়িয়া এলাকায় গত বছর পানিতে থৈ থৈ করা একটি খালের দুই পাড়ের জঙ্গল কাটার সময় স্থানীয় লোকজন কাজ বন্ধ করে দেয়। একই দৃশ্য অন্যত্র।কলাপাড়া পৌর শহরের খালটির সর্বত্র অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। খালটির সীমানা নির্ধারণ না করেই খননে দখলদারদের হয়েছে সুবিধা। এসব উচ্ছেদ না করেই দুই পাড়ে ছেঁচে দেখানো হচ্ছে খাল খনন। ৪৩/১ বি পোল্ডারে পাঁচটি খাল পুনর্খনন করার জন্য মোট বরাদ্দ রয়েছে এক কোটি ২১ লাখ টাকা। নিয়ম রয়েছে খালটির টপ থাকার কথা ২৮ থেকে ৩০ ফুট। তলদেশ সাড়ে ছয় ফুট (দুই মিটার)। যা আগেই ছিল। এই খালটি কয়েক বছর আগেই একবার পুনর্খনন করা হয়েছে।

জলবায়ু স্থানচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন, সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

জলবায়ু স্থানচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন, সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদপ্রবাল বড়ুয়া, ইপসা, চট্টগ্রাম ● জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দূর্যোগের মাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানচ্যুতির ঘটনা বেশী পরিলক্ষিত হচ্ছে এবং স্থানচ্যুত মানুষের হার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। চট্টগ্রামের পাহাড়ের পাদদেশ, বেড়িবাঁধ এবং বস্তিতে অমানবিক জীবনযাপন করছে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে স্থানচ্যুত মানুষেরা। কিন্তু এসব স্থানচ্যুত মানুষের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে কোন পরিসংখ্যান নেই। এসব অসহায় মানুষের কার্যকর পুনর্বাসন এবং মনিটরিং এর জন্য পরিপূর্ণ তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা এখন খুবই প্রয়োজন।

২০ মার্চ চট্টগ্রামের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ইপসা’র উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্থানচ্যুত মানুষের অধিকার বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বক্তারা সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহনের তাগিদ দেন। তারা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে স্থানচ্যুত মানুষের দুর্ভোগ এবং তাদের আবাসন, ভূমি এবং সম্পত্তির অধিকাকারের প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন।

চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. জাফর আলমের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ও সাংসদ ড. হাছান মাহমুদ।

ইপসা’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া মতবিনিমিয় সভায় ডিসপ্লেসমেন্ট সলুশ্যানের সহায়তায় চলমান বাংলাদেশ হাউজিং, ল্যান্ড এন্ড প্রোপার্টি রাইটস শিরোনামে স্থানচ্যুত মানুষের অধিকার সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের অগ্রগতি ও অর্জন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন ইপসার এইচএলপি প্রকল্পের টিম লিডার মোহাম্মদ শাহজাহান।

  • সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য হুমকিতে, সংকটে বনজীবীরা

    আহাদুল ইসলাম শিমুল, জিয়ানগর, পিরোজপুর ● বৈশ্বিক উষ্ণতা, গলছে বরফ। বরফ গলা পানি যাচ্ছে সমুদ্রে। তাতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। আর এ থেকে নতুন আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে নদী ও খালের পানিতে লবণাক্ততার মাত্রা বৃদ্ধির। আশঙ্কা হচ্ছে জীববৈচিত্র ধ্বংসেরও। পরিবেশ বিপর্যয়ের ফলে, মানুষের বাস্তচ্যুত হওয়ার এ আশঙ্কা শুধু বাংলাদেশের নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সবগুলো দেশকে ঘিরেই। তবে এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বাংলাদেশ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এক নম্বরে। জাতিসংঘের রিপোর্টে অনেক আগে থেকেই বলা হচ্ছে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে তাপমাত্রা। এর প্রভাবে বর্ষায় বৃষ্টিপাত কম হওয়া এবং শীত বিলম্বিত হওয়া। প্রতিবছর তাপমাত্রা একটু একটু করে বৃদ্ধি পাওয়া

  • ইত্যাদিকেই জলবায়ু পরিবর্তনের লক্ষণ হিসেবে ধরে নিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হিমালয়ের বরফ গলতে গিয়ে বাংলাদেশে বড় ধরণের বন্যা দেখা দিতে পারে। অথবা দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দেখা দিতে পারে তীব্র খরা। ধ্বংসের মুখোমুখি হতে পারে পৃথিবীর বৃহত্তর একক ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট সুন্দরবন।সুন্দরবন বাংলাদেশের উপকূলের রক্ষাকবজ হিসেবে পরিচিত। এ বনের বৃক্ষরাজির মধ্যে ৭৩ শতাংশ সুন্দরী গাছ থাকায় বনের প্রধান বৃক্ষের নাম অনুসারে এ বনের নামকরন করা হয় সুন্দরবন। অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুতে সুন্দরবনের আয়তন বর্তমানের দ্বিগুণ ছিল এবং এ বিশাল বন নিয়ন্ত্রণ করত তখনকার জমিদার। ১৮২৮ সালে বৃটিশ সরকার সর্ব প্রথম সুন্দরবনের স্বত্বাধিকার অর্জন করে ও ১৮৭৮ সালে সুন্দরবনকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়, যা একবছর পর ১৮৭৯ সালে সুন্দরবনের ব্যবস্থপনা বন বিভাগের উপর ন্যস্ত করা হয়।
  • এ বনে ছিল ৩শ ৩৪ প্রজাতির গাছপালা, ১শত ৬৫ প্রজাতির শৈবাল ১৩ প্রজাতির অর্কিড, ৩শত ৭৫ প্রজাতির অধিক বন্যপ্রাণী, ২শত ১০ প্রজাতির মাছ, ২৪ প্রজতির কাকড়াসহ ৪৩ প্রজাতির মালাস্কা। ছিল সুন্দরবন জুড়ে ৪শত ৫০টি নদী ও খাল। বর্তমানে সুন্দরবনে রয়েছে প্রায় ৪৪০টি রয়েল বেঙ্গল টাইগারসহ, কয়েক হাজার হরিণ, বানর ও কয়েকশত বন্য কুমির।তথ্যনুসন্ধানে জানা যায়, বাংলাদেশ ও ভারত ভূখণ্ড জুড়ে সুন্দরবন বিস্তৃত। সুন্দরবনের ৬০ শতাংশ ভারতের অংশে বাকি ৪০ শতাংশ বাংলাদেশের মধ্যে বিস্তৃত। বাংলাদেশ ভূখণ্ডের আয়তন ৫৫ লাখ ৭ হাজার ২শ ৮৫ হেক্টর। এর মধ্যে ১৫ লাখ ৫ হাজার ৬শ হেক্টর জুড়ে রয়েছে নদীনালা, খাল মোহনা আর এখানে রয়েছে বিশাল জলজ সম্পদের ভান্ডার। জোয়ারভাটার ফলে প্রাকৃতিক ভাবে এখানে পাওয়া যায়, বিভিন্ন প্রজাতির জলজ প্রাণী ও মাছ। বাকি ৪০ লাখ হেক্টর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত বিশাল বনাঞ্চল।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এ বনাঞ্চলে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান গাছ। যার মধ্যে অন্যতম সুন্দরী, গরান, পশুর, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি। বাঘ, হরিণ, বানর, শুকর সহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল। সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূল এলাকার ৫/৬ লাখ পেশাজীবি মানুষ সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদের উপর জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। জীবন-জীবিকার তাগিদে এসব পেশাজীবি মানুষ বৈধ এবং অবৈধ ভাবে সুন্দরবনে অনুপ্রবেশ করে উজাড় করছে বনাঞ্চল, নিধন করছে বনপ্রাণী, ধংস করছে বনপ্রাণীর আবাসস্থল। ফলে উধাও হচ্ছে গাছপালা, দেখা দিচ্ছে বন্যপ্রাণীর খাদ্যাভাব। হ্রাস পাচ্ছে বন্য প্রাণী ও তার প্রজনন। সুন্দরবন ঘেষে অবস্থিত উপকুলীয় এলাকার প্রায় ২লাখ মৎস্যজীবি প্রতি বছর সুন্দরবনের বিশাল জলরাশি থেকে মৎস্য সম্পদ আহরণ করে থাকে। এই বিশাল জলরাশিতে ১২৪ প্রজাতির গভীর পানির মাছ, ৫৩ প্রজাতির অগভীর প্রজাতির মাছ, ৭ প্রজাতির কাঁকড়া, ২৪ প্রজাতির চিংড়ী, কুমির হাঙ্গর, কচ্ছপ সহ অসংখ্য প্রজাতির জলজপ্রাণী বাস করে। মৎসজীবি বা জেলেরা এ বিশাল জলরাশি থেকে ১৫/২০ রকমের জাল দিয়ে মৎস্য সম্পদ আহরণ করে থাকে। এক শ্রেণীর মৎসজীবিরা খালে কীটনাশক ছিটিয়ে মাছ ধরে থাকে। অন্যদিকে প্রায় আরও ৩/৪ লাখ মানুষ মাছের পোণা আহরণ করে থাকে।


জলবায়ু পরিবর্তন
(পাতাটি ভালো লাগলে কিংবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।)
tweet